• সোমবার, জুন ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৯ রাত

নাব্য সংকটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের ফেরি বন্ধ

  • প্রকাশিত ০৪:৩৪ বিকেল আগস্ট ১৩, ২০১৮
নাব্য সংকটে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের ফেরি বন্ধ
সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় ৫শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুট। বিগত তিন চারদিন ধরেই নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

নব্যতা সংকটের কারনে সোমবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় ৫শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। বিকল্প চ্যানেল ও সরাসরি মূল চ্যানেলে দুটিতেই নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রী ও চালকরা। নদীতে ড্রেজিং কাজ চলমান থাকায় এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বিকল্প নৌরুট পাটুরিয়া-দৌলদিয়া ঘাট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে, স্বাভাবিক রয়েছে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল।

বিআইডব্লিউটিএ’র ম্যারিন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলি জানান, চ্যানেলে ৩ ফুট পানি রয়েছে, যা ফেরি চালানোর জন্য অনুপযোগী। ফেরি চালাতে প্রয়োজন ৭ ফুট গভীরতা।

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটে ব্যবস্থাপক(বাণিজ্য) গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারি জানান, রাত ১২টা থেকে নাব্য সংকটের কারনে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে। গেল কয়েকদিন ধরে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। ড্রেজিং করে নৌরুটের ফেরি চালানোর জন্য উপযোগী করতে হবে। এছাড়া জোয়ারের পানি আসার অপেক্ষায় থাকতে হবে।

মাওয়া ট্রাফিক ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ঘাট এলাকায় ৫ শতাধিক গাড়ি পারের অপেক্ষায় আছে। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি সৃষ্টি হয়েছে। 

বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং বিভাগের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ সাইদুর রহমান জানান, লৌহজং ও বাইপাস চ্যানেলে ৭টি ড্রেজার পলি অপসারণে কাজ করছে। তবে আজকের মধ্যে সরাসরি মূল চ্যানেল দিয়ে কে-টাইপ ফেরি চালানো যাবে। কিন্তু লৌহজং চ্যানেলে থেকে ৩ কিলোমিটার ডাউনে থাকা বিকল্প চ্যানেলটি চলাচলের উপযোগী করতে দুই দিন সময় লাগবে। চ্যানেলে পলি অপসারণ করতে গিয়ে পাড়ের বালু ভেঙ্গে পড়ায় নাব্যতা সংকট প্রকপ আকার ধারণ করছে।