• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

ধর্ষণের শিকার ৫ম শ্রেণী শিক্ষার্থী, ধর্ষক পলাতক

  • প্রকাশিত ০৬:২৮ সন্ধ্যা আগস্ট ১৩, ২০১৮
District Map
মানচিত্রে নড়াইল। ছবি: সংগৃহীত

ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

নড়াইলে স্কুল পরিচালনা পরিষদ সদস্যের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫ম শ্রেণীর মানসিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মঙ্গলহাটা গ্রামে।ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে  সোমবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে লোহাগড়ার কেমঙ্গলহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। 

মানববন্ধন চলাকালীন মল্লিকপুর মাধ্যমিক স্কুল-এর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। অভিযুক্ত ধর্ষক মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকেরা তার বহিস্কারের দাবি জানিয়েছে। 

জানা গেছে, গত ৫ আগষ্ট দুপুরে বাড়ি থেকে স্কুলে আসার পথে প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন অভিযুক্ত কামরুলের খাবারের দোকানে  চকলেট  কিনতে গিয়েছিল শিশুটি। সে সময় অভিযুক্ত আসামী দোকানের স্টোর রুমে শিশুটিকে ধর্ষণ করে বলে জানা গেছে। বাড়ি ফিরে শিশুটি মাকে ঘটনাটি জানালেও পরিবারের লোকেরা প্রভাবশালী কামরুলের ভয়ে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। উল্লেখ্য, ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা ঢাকায় চাকুরী করেন। পরবর্তীতে ১০ আগষ্ট  শিশুটির বাবা ঢাকা থেকে ফিরে এসে থানায় মামলা করে।  মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত কামরুজ্জামান পলাতক। 

ধর্ষণের শিকার শিশুটি বর্তমানে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নড়াইল সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান বাবু জানান, ঘটনার ৫ দিন পর মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এখন যাবতীয় পরীক্ষা করা হচ্ছে। 

ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বলেন, “আমার মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে যে পাষন্ড নির্যাতন করেছে, আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।” এ ছাড়াও আসামী পক্ষের লোকেরা অত্যন্ত প্রভাবশালী,তারা টাকা দিয়ে ডাক্তারী রিপোর্ট ঘুরিয়ে দেবার পায়তারা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে মল্লিকপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান বলেন, “আমরা নীতিগতভাবে এ ধরনের জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। অভিযুক্তকে সাময়িক বহিঃস্কার করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

এদিকে, অভিযুক্তের মা কোহিনুর বেগম জানান, তার ছেলে স্থানীয় রাজনীতির শিকার।