• মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩১ দুপুর

দেশেই উৎপাদন হবে ২৫০ সিসির মোটরসাইকেল

  • প্রকাশিত ০৫:৫৩ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮
মন্ত্রিপরিষদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মন্ত্রিপরিষদের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম বলেন, দেশীয় মোটর সাইকেল শিল্পের প্রসার ঘটাতে এই নীতিমালা করা হয়েছে, যেন মোটরসাইকেল আমদানি করতে না হয়।

মোটরসাইকেলশিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন হয়েছে। নীতিমালায় রপ্তানীর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে ২৫০ সিসির মোটরসাইকেল উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  

আজ সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভায় এ নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়। সেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভাশেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, রপ্তানি করার উদ্দেশ্যে দেশে ২৫০ সিসি মোটরসাইকেল উৎপাদন করা যাবে। রপ্তানি করা মোটরসাইকেলের ট্যাক্স নির্ধারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতিমালা অনুসৃত হবে। এ ছাড়া ট্যাক্স নির্ধারণে একটি ট্যারিফ নীতিমালাও প্রণয়ন করা হবে।

শফিউল আলম বলেন, দেশীয় মোটর সাইকেল শিল্পের প্রসার ঘটাতে এই নীতিমালা করা হয়েছে, যেন মোটরসাইকেল আমদানি করতে না হয়।

‘বাংলাদেশে বিদ্যমান মোটর সাইকেল সংযোজন শিল্পের পরিবর্তে এখানে বিশ্বমানের মোটরসাইকেল উৎপাদন কারখানা সৃষ্টিতে উৎসাহিত করা হবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে এই খাতে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’

মোটরসাইকেল খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান পাঁচ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে ১৫ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান সচিব।

শফিউল আলম বলেন, ‘নীতিমালার উদ্দেশ্য হচ্ছে নতুন করে মোটরসাইকেল তৈরি বা সংযোজন যেটাই করা হোক, দেশীয় শিল্প কারখানার মাধ্যমে তা উৎপাদন করা হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ লাখ এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ১০ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে নীতিমালায়। দেশে মোটরসাইকেল তৈরির পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলো সরবরাহ করা হবে।