• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

বিনা বৃষ্টিতেই বাড়ছে যমুনার পানি, ৫৭৫ হেক্টরে ফসল নিমজ্জিত

  • প্রকাশিত ১০:২২ সকাল সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮
বন্যা
বন্যা। ফাইল ছবি। ঢাকা ট্রিবিউন

সোমবার সারিয়াকান্দি উপজেলার মথুরাপুর গজ স্টেশন এলাকায় নদীতে পানি বিপদসীমার সীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

বগুড়ায় বৃষ্টিপাত না হলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। 

সোমবার উপজেলার মথুরাপুর গজ স্টেশন এলাকায় নদীতে পানি বিপদসীমার সীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী বিভিন্ন চরাঞ্চলের প্রায় ৫৭৫ হেক্টর মৌসুমে ফসলের জমি জলে নিমজ্জিত রয়েছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় চরাঞ্চলে নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করছে। 

ইতিমধ্যে চালুয়াবাড়ী, কাজলা, বোহাইল, হাটশেরপুর, কুতুবপুর ও সদর ইউনিয়নে ২ হাজার ৯৬৫ জন কৃষকের ৩৭০ হেক্টর রোপাআমন, ৫০ হেক্টর বীজতলা, ২০ হেক্টর আউশ, ১০০ হেক্টর মাসকালাই, ২৫ হেক্টর মরিচসহ ৫৭৫ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।  

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের হাটবাড়ি, ভাঙরগাছা চরে ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। 

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল আলম জানান, ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। 

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম সাদেক জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে নিজাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, ঠেংরাকুড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আবু আব্দুল্লাহ দাখিল মাদ্রাসার ক্লাস অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ বলেন, “যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সোমবার বেলা ১২টায় মথুরাপুর গজস্টেশন এলাকায় যমুনা নদীতে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ২০ সেপ্টেম্বরের পর পানি কমতে শুরু করবে। আর কোথাও ভাঙনের আশঙ্কা নেই।”

অপরদিকে পার্শ্ববর্তী ধুনট উপজেলাতেও যমুনা নদীতে পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল জানান, নতুন করে জমি প্লাবিত ও কেউ পানি বন্দি হয়নি। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “নদীর পানিতে চরের প্রায় ৫৭ হেক্টর জমির মৌসুমী ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।”