• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৫ রাত

তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের মানুষ: বিশ্বব্যাংক

  • প্রকাশিত ১০:৫৮ রাত সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
World Bank
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগকে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্র বৃদ্ধি ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশের বেশিসহ জীবনযাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ। বুধবার বিশ্বব্যাংকের ‘সাউথ এশিয়া’স হটস্পট: দ্যা ইমপ্যাক্ট অব টেম্পারেচার অ্যান্ড প্রিসিপিটেশন চেঞ্জেস অন লিভিং স্ট্যান্ডার্ড’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছর ধরে এই অঞ্চলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। ফলে এ অঞ্চলের কৃষি, স্বাস্থ্য ও উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

ইউএনবি-এর বরাতে জানা গেছে, প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, আবাহাওয়া ও তাপমাত্রার এমন পরিবর্তনের ফলে জিডিপির ৬.৭ শতাংশের সমান ক্ষতি হতে পারে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের এক তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ জীবনযাত্রার ঝুঁকিতে পরতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে। ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনের তথ্য অনুসারে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, কোনও প্রতিকার ব্যবস্থা নেয়া না হলে এই সময়ের মধ্যে গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টইউগ স্কাফার বলেন, “সারা বিশ্বে বিশেষ করে বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন তীব্র আকার ধারণ করায় দারিদ্রের হার হ্রাস করে উন্নয়ন চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।”

কয়েক দশকের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পরবে জানিয়ে স্কাফার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনকে মোকাবেলায় কৃষির বাইরে অন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

এজন্য প্রয়োজনে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগকে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ঝুঁকিতে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগের ১০টি জেলার মধ্যে ৭টি জেলা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।