• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৪ রাত

জবানবন্দিতে জানালেন : খুনের কারণ পরকীয়া

  • প্রকাশিত ১০:৫৩ রাত অক্টোবর ১, ২০১৮
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দূর্গাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শিবলী সাদিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করে।

ফেরিওয়ালা বাবুল মিয়ার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল নেত্রকোনা আয়কর অফিসের নৈশ্য প্রহরী রতন মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই সম্পর্কের কথা একদিন জানতে পারেন রতন। তারপরই পরিকল্পিতভাবে বাবুলকে কুপিয়ে খুন করেন তিনি। 

আজ সোমবার নেত্রকোনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারিন ফারজানার সামনে এভাবেই স্বীকারুক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রতন।

এর আগে শনিবার কলমাকান্দা উপজেলার কাকুরিয়া মাছিম দাসপাড়া মরাকান্দা বিলের পাশ থেকে বাবুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সতরশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রসাধনীর ব্যবসা করার কারণে নেত্রকোনা শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন বাবুল। 

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শামীম কলমাকান্দা থানায় অজ্ঞাত একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে দূর্গাপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শিবলী সাদিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করে। নিহতের মোবাইল নাম্বারে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে রতন মিয়াকে রবিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শিবলী সাদিক জানান, বাবুল মিয়ার সঙ্গে রতনের স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এর রহস্য উৎঘাটন করা হয়েছে।