• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৫ সকাল

কক্সবাজারে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু

  • প্রকাশিত ০৫:০৪ সন্ধ্যা অক্টোবর ১৬, ২০১৮
সৌরবিদ্যুৎ
ফাইল ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন

১১৬ একর জমির ওপর স্থাপিত এ প্রকল্পটি ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। যা টেকনাফ উপজেলার ৮০% চাহিদা মেটাতে সক্ষম

কক্সবাজারে জেলায় স্থাপিত হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প। এ প্রকল্পের মধ্যদিয়ে দেশের মোট চাহিদার ৫% বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদনের এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২০ সালের মধ্যে তা ১০% এ উন্নীত করে মূল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।  

প্রকল্পটি স্থাপন করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জুলস পাওয়ার লিমিটেড। 

বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট দিপাল সি. বড়ুয়া জানান, বর্তমানে দেশের ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৫২ লক্ষ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২% লোক বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন।    

এই প্রকল্পকে বাংলাদেশের জন্য সুসংবাদ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন যে, এধরনের উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীরা এই বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠবে। 

জুলস পাওয়ার লিমিটেড এর চীফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মাহমুদুল হাসান রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ১১৬ একর জমির ওপর স্থাপিত এ প্রকল্পটি ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। যা টেকনাফ উপজেলার ৮০% চাহিদা মেটাতে সক্ষম। 

এই এলাকায় প্রায় ৩,০০,০০০ বিদ্যুৎ গ্রাহক আছেন। যার মধ্যে কিছু ক্ষুদ্র ও বৃহৎ শিল্প কারখানাও আছে।

জুলস পাওয়ার লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক নুহার লতিফ খান জানান যে, প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শুরু করেছে।

তিনি মনে করেন এদেশে সৌরবিদ্যুতের ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল। কোম্পানী খুবই লাভজনক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে বায়ুশক্তি থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও আছে।

তিনি আরও বলেন, “এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম যার মধ্যে ২০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।”

দিপাল সি. বড়ুয়া জানান, আরও বেশকিছু সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সরকারের অনুমতির অপেক্ষায় আছে ও কিছু অনুমতিপ্রাপ্ত প্রকল্প নির্মাণাধীন আছে।