• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৩ রাত

কুমারী সেজে দ্বিতীয় বিয়ে করায় গৃহবধুর ২ বছর জেল

  • প্রকাশিত ১২:৩৮ দুপুর অক্টোবর ২৫, ২০১৮
আদালত
প্রতীকী ছবি

মামলায় সাজাপ্রাপ্ত শাপলা আক্তার লিলি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন

বগুড়ায় প্রথম বিয়ে গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করার অপরাধে শাপলা আকতার লিলি (২৬) নামে এক গৃহবধুকে দুই বছর সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত বুধবার বিকালে বগুড়ার চতুর্থ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোছা: আছমা মাহমুদ এ রায় দেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, অভিযুক্ত শাপলা আকতার লিলি গাবতলী উপজেলার মহিষাবান গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে। ২০১১ সালে শাজাহানপুর উপজেলার শেরকোল গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে রাজু আহম্মেদের সাথে লিলির বিয়ে হয়। 

তবে, এর চার বছর পর ২০১৫ সালে লিলি তার প্রথম বিয়ে গোপন করে কুমারী সেজে গাবতলী উপজেলার ধোড়া গ্রামের আমজাদ হোসেন মোল্লার ছেলে আপেল মাহমুদ রনিকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে তার প্রথম বিয়ের কথা জানাজানি হলে লিলির প্রথম স্বামী রাজু আহম্মেদ আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে সাক্ষী গ্রহণ শেষে আদালত বিয়ে গোপন করে কুমারী সেজে দ্বিতীয় বিয়ে করার অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় পেনাল কোডের ৪৯৪ ধারায় গত বুধবার আদালত শাপলা আকতার লিলিকে উল্লিখিত সাজা দেন।

তবে, মামলায় সাজাপ্রাপ্ত শাপলা আক্তার লিলি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। একারণে, লিলিকে গ্রেফতার করা হলে তার পর থেকে তার সাজার মেয়াদ কার্যকর করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহাদত হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "দ্বিতীয় স্বামী আপেল মাহমুদ রনিও আদালতে একই ধরনের মামলা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ওই মামলাতেও চলতি বছরে ৩ জানুয়ারিতে লিলিকে দেড় বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছিলেন।"

তবে, দুই মাস সাজাভোগের পর তিনি জজকোর্টে আপীল করে জেল থেকে জামিনে ছাড়া পান। এরপর থেকেই পলাতক রয়েছেন সাজাপ্রাপ্ত শাপলা আক্তার লিলি।