• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৭ দুপুর

সহপাঠী হত্যার দায়ে স্কুল ছাত্রের ১০ বছর আটকাদেশ

  • প্রকাশিত ০৫:১১ সন্ধ্যা নভেম্বর ৪, ২০১৮
মানচিত্রে গোপালগঞ্জ
মানচিত্রে গোপালগঞ্জ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় কোচিং সেন্টারে বেঞ্চে বসা নিয়ে সহপাঠী বরকত উল্লাহ প্রিন্সের সঙ্গে শাহ আলমের ঝগড়া হয়

গোপালগঞ্জে সহপাঠীকে হত্যার দায়ে স্কুলছাত্র শাহ আলম সিকদারকে (১৪) শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ১০ বছর আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু আদালতের বিচারক মো. কবির উদ্দিন প্রামাণিক এ রায় দেন। মামলার আরেক আসামী সজিব সিকদারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত শাহ আলম কাশিয়ানী উপজেলার পুইশুর গ্রামের বাদশা সিকদারের ছেলে ও একই উপজেলার রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ শশী কমল বিদ্যাপীঠের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় কোচিং সেন্টারে বেঞ্চে বসা নিয়ে সহপাঠী বরকত উল্লাহ প্রিন্সের সঙ্গে শাহ আলমের ঝগড়া হয়। কোচিংয়ের শিক্ষকরা বিষয়টি তাৎক্ষণিক মিটিয়ে দেন। পরে সকাল ১০টার দিকে প্রিন্স স্কুলে যায়। এ সময় সহপাঠী সজিব সিকদারকে দিয়ে প্রিন্সকে ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলের টয়লেটের কাছে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে শাহ আলম। 

এ ঘটনায় পর দিন প্রিন্সের বাবা হানিফ মোল্লা ওরফে দুলু বাদী হয়ে শাহ আলম ও সজিবের নাম উল্লেখ সহ আরও তিন জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কাশিয়ানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাশিয়ানী থানার এসআই শাহ জালাল গত বছরের ২৫ নভেম্বর আসামী শাহ আলম ও সজিবের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

১৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে বিচারক শাহ আলমকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার নির্দেশ দেন। অপর আসামী সজিবের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় বিচারক তাকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেন।

বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেনন এপিপি এ্যাড. মোঃ শহিদুজ্জামান পিটু এবং আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছেন এ্যাড.এমএ আলম সেলিম।