• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪৪ রাত

ইসি কবিতা খানম: নির্বাচনে নারী ও সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে

  • প্রকাশিত ১০:৩৮ রাত ডিসেম্বর ২১, ২০১৮
কবিতা খানম
নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

"নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীদেরকেই সৎসাহসী হতে হবে এবং এই সাহসকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে"

নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম বলেছেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে তাদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। তাই আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তাদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।  আসন্ন একাদশ জাতীয় নিরবাচনে নারী ও সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে।

শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) খুলনার একটি হোটেলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনে নারীর নিরাপদ অংশগ্রহণ ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সচেনতাবৃদ্ধিমূলক এক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, ইউএনডিপি এবং ইউএনউইমেন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কবিতা খানম বলেন, আমরা অনেকেই  নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিনিয়ত সভা-সেমিনার করে যাচ্ছি। নারীর সমান অধিকারের কথা বলে বক্তৃতা দিচ্ছি। আবার আমরাই নারীদের ক্ষমতায়ণের পথে বাধা সৃষ্টি করছি। অথচ আমরা যদি নারীদের প্রতিদিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারতাম তাহলে নির্বাচনের সময় তাদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিয়ে আলাদাভাবে ভাবতে হত না। 

নারীরা তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই এগিয়ে যাচ্ছে তিনি আরও বলেন, নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীদেরকেই সৎসাহসী হতে হবে এবং এই সাহসকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি সংসার, সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর মতামতকে মূল্যায়ন করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. দিদার আহমেদ, পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সরদার রকিবুল ইসলাম, খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, ইউএনডিপি’র পরামর্শক এটসুকু হিরাকাওয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর হোসনে আরা এবং জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান।

এর আগে নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানমের নেতৃত্বে সচেনতাবৃদ্ধিমূলক একটি র‌্যালি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে।