• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৪ রাত

জামালপুর-২: মৌমাছির আতঙ্কে শঙ্কিত ভোটাররা

  • প্রকাশিত ০৩:১১ বিকেল ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮
মৌমাছি
জামালপুর-২ আসনের সাজালেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৌচাক। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ভোট গ্রহন বাধাগ্রস্ত এমনকি কেন্দ্র বন্ধ হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের একটি কেন্দ্র ৬৮ নং সাজালেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই কেন্দ্রে দুইটি গ্রামের ভোটাররা এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন। কিন্তু দ্বিতল এই প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় ২৪ টি মৌচাক থাকায় মৌমাছির আতঙ্কে রয়েছেন ভোটাররা।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা শামসুজ্জামান সেলিম সহ এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই কেন্দ্রে চিনারচর ও পেঁচারচর গ্রামের ৪ হাজার ৬শ' ভোটার ভোট দেবেন। ভোটের দিন যদি কেউ যদি মৌচাকে ঢিল ছুড়ে বা কোনও ভাবে মৌমাছিদের বিরক্ত করে তাহলে ভোটারদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ভোট গ্রহন বাধাগ্রস্ত এমনকি কেন্দ্র বন্ধ হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও প্রকৃতি সচেতন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেসুর রহমান জানান, এই বিদ্যালয় ভবনে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ২৪ টি মৌচাক আছে। আমি

গত ২৫ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানিয়ে এলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন। তারপর শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মৌমাছি তাড়িয়ে কিছু মৌচাক নষ্ট করা হয়। সাময়িকভাবে উড়ে গেলেও পরে আবার আস্তে আস্তে মৌমাছিরা নতুন করে দেয়ালে বসতে থাকে। এখন বিদ্যালয় ভবনে ১১টি ও আশেপাশের গাছে আরো ২টি মৌচাক তৈরি করে সেখানে আশ্রয় নিয়েছে সেগুলো।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, এভাবে মৌচাক নষ্ট করায় মৌমাছিরা তাদের আবাস, বাচ্চা ও মধু হারিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে এবং যে কোনও সময়

আক্রমণ করতে পারে। স্থানীয় ভোটাররা এই কেন্দ্রটি পরিবর্তনের পাশাপাশি প্রাকৃতিক নিয়মে মধু আহরণ, মৌমাছি ও মৌচাক অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

জামালপুর প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আহমেদ কবীর জানান, এ ব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।