• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫৪ সন্ধ্যা

কাদের: পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৩ %

  • প্রকাশিত ০৬:০৯ সন্ধ্যা জানুয়ারী ২০, ২০১৯
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

'কর্ণফুলী টানেলের খনন কাজও শুরু করা হবে'

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৬৩ ভাগ এবং এ মাসের শেষ সপ্তাহে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

রবিবার (২০ জানুয়ারি) বনানীর সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সেতু বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি জানান বলে বাসসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, "পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর অগ্রগতি শতকরা ৭৩ ভাগ, নদীশাসন কাজের অগ্রগতি শতকরা ৫০ ভাগ ও মোট ২৬১ টি পাইলের মধ্যে ১৯১টি পাইলের কাজ সম্পাদিত এবং আরও ১৫টি পাইলের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে। মোট পিলার ৪২টি, এরমধ্যে ১৬টির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। ১৫টি পিলারের কাজ চলমান রয়েছে। মোট স্প্যান ৪১টি, ইতোমধ্যে ৬টি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। ফলে এখন ৯০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়া ১৭টি স্প্যান প্রস্তুত রয়েছে। আরও ১৮টি স্প্যানের প্রস্তুতি কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"

এছাড়া আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ট্যানেল বোরিং মেশিনের (টিএমবি) মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্ণফুলী টানেলের খনন কাজ শুরু করা হবে বলেও তিনি জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, "৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চারলেন বিশিষ্ট কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ট্যানেল নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। খনন কাজের জন্য চীন থেকে সংগৃহীত ট্যানেল বোরিং মেশিনটির পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী মাসের মাঝামাঝিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্ণফুলী ট্যানেলের খনন কাজ শুরু হবে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩০ ভাগ। ২০২২ সালে ট্যানেলটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে"।

তিনি আরো জানান, "যমুনা নদীর তলদেশে ট্যানেল নির্মাণ প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি এ ব্যাপারে পিইসি আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮ হাজার ৯৪০ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের ভৌত কাজ এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৯টি পাইল, ২৭০টি পাইল ক্যাপ, ৫৬টি ক্রস-বিম, কলাম ১৫৭ (সম্পূর্ণ) ও ৮২টি (আংশিক), ১৮৬টি আই গার্ডার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম ধাপের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের ক্ষতিপূরণ প্রদান চলমান রয়েছে"।

এ সময় সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ সেতু বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।