• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০০ রাত

দাম্পত্য কলহের জেরেই প্রাণ গেল এএসআই রোজিনার?

  • প্রকাশিত ১২:৩০ দুপুর ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯
এএসআই রোজিনা
বগুড়ায় দাম্পত্য কলহে আত্মহত্যা করলেন এএসআই রোজিনা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

রোজিনার স্বামী তার পুলিশে চাকরি করা পছন্দ করতেন না, চাকরি ছাড়ার জন্য শারীরিক লাঞ্ছনাও করতো সে’

বগুড়ার ধুনট থানার এএসআই রোজিনা খাতুন (৩১) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিষপান করেছে এমন তথ্যের প্রেক্ষিতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান।

ধুনট থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, ‘এএসআই রোজিনার আত্মহত্যার কারণ অজ্ঞাত। বগুড়ার ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আজিজ মন্ডল জানান, বুধবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে রোজিনার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন, দাম্পত্য করলে তিনি আত্মহত্যা করেন।’ ধুনট থানার ওসি (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম জানান, তদন্ত করলে এএসআই রোজিনার আত্মহত্যার কারন জানা যাবে। এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে।

ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোহাম্মদ সালেহ জানান, রোজিনা বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন।

রোজিনার বাবা নান্নু মিয়া সাংবাদিকদের জানান, ‘পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সাথে গত ৫-৬ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। জামাতা হাসান আলী গত বৃহস্পতিবার তার বাড়িতে আসেন এবং শনিবার চলে যান। এরপর থেকে রোজিনার মন খারাপ ছিল।’ 

প্রতিবেশিদের দেয়া তথ্যানুযায়ী , ‘রোজিনার পুলিশে চাকরি করা তার স্বামী পছন্দ করতেন না। চাকরি ছাড়ার জন্য শারীরিকভাবে লাঞ্ছনাও করতো তার স্বামী।’  

২০০৭ সালে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নান্নু মিয়ার মেয়ে রোজিনা খাতুন পুলিশ কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। পরের বছর একই গ্রামের আবদুল লতিফ মোল্লার ছেলে দমদমা কারিগরি স্কুলের সহকারি শিক্ষক হাসান আলীর সাথে বিয়ে হয়। গত বছরের ১৮ জানুয়ারি এএসআই পদোন্নতি পাবার পর তিনি ধুনট থানায় যোগদান করেন। থানা ভবনের পাশে একটি বাসা ভাড়া নেন। চাকরির কারণে স্বামী হাসান আলী সিংড়ায় থাকেন।  রোজিনার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।