• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

৩৩ শতাংশ বাসের ফিটনেস সনদ গ্রহণযোগ্য নয়

  • প্রকাশিত ০৩:৩৬ বিকেল ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৯
বাস
রাজধানীতে চলাচলকারী গণপরিবহন। ছবি: মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি প্রতিরোধে, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

আদালতে দাখিল করা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ)-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ৩৩ শতাংশ বাসের ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য নয়। গতি নিয়ন্ত্রক সিল ঠিক নেই ৫৬ শতাংশের। এই প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে জরিপ করা হয়েছে ৩৯টি বাসের ওপর।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

আইনজীবী মো. তানভির আহমেদের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশে কমিটি গঠন করে বিআরটিএ। যানবাহনের ওপর জরিপ চালিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে ওই কমিটি।

বিআরটিএর পক্ষে প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করেন আইনজীবী রফিকুল ইসলাম।

পরে তানভির আহমেদ বলেন, এর আগে হাইকোর্ট ১৬ সদস্যের একটি কমিটি করে জাতীয়ভাবে সারাদেশের পরিবহনগুলোর ওপর একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারই আলোকে একটি প্রতিবেদন বিআরটিএ আদালতে দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে ৩৩ শতাংশ যাত্রীবাহী বাসের ফিটনেস নেই এবং ৫৬ শতাংশ বাসের গতি নিয়ন্ত্রক সার্টিফিকেট নেই। এছাড়াও সড়ক দুর্ঘটনা রোধের কারণ ও রোধের বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত একটি পর্যবেক্ষণ করতেও প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।

শিগগিরই এ বিষয়ে শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।

প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি প্রতিরোধে, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। সমস্যার ব্যাপকতা ও মাত্রা অনুধাবনে যানবাহন বিশেষ করে গণপরিবহনের ওপর বিজ্ঞানভিত্তিক জরিপ পরিচালনা করা খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে কোনও বিশেষায়িত গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা করা যেতে পারে।