• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৬ সন্ধ্যা

হালাল অ্যাক্রেডিটেশন স্কিম চালু করবে বিএবি

  • প্রকাশিত ০৭:৩০ রাত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯
বিএবি

হালাল খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে

হালাল অ্যাক্রেডিটেশন স্কিম চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)। এটি চালু হলে হালাল সনদ প্রদানকারী ল্যাবরেটরিগুলোকে অ্যাক্রেডিটেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ফলে হালাল খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। 

আন্তর্জাতিক মান (আইএসও) ১৭০২০-এর ওপর বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড আয়োজিত ‘২৪তম বিএবি অ্যাসেসর কোর্স’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয় বলে বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম বলেন, উন্নয়নশীল বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে ডিজিপিতে শিল্পখাতের অবদান বাড়াতে হবে। উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং মান অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটিয়ে শিল্পায়নের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

তিনি আরও বলেন, শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটিয়ে উন্নয়ন অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিতে হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত হবে এবং রপ্তানি বাড়বে। বাণিজ্য ও রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নতুন কর্মস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে। তিনি আন্তর্জাতিক মান বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার লব্ধ জ্ঞান নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের পাশাপাশি অন্যদের সাথে বিনিময়ের পরামর্শ দেন। 

বিএবির মহাপরিচালক মো. মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- প্রশিক্ষণার্থী ও কিউট্যাক্স সল্যুশনস লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক (ল্যাব) আসমা জান্নাহ্ ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব কোয়ালিটি মোহাম্মদ আমানুল হক। 

পাঁচ দিনব্যাপী এ অ্যাসেসর প্রশিক্ষণ কোর্সে ২০টি দেশীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের টেস্টিং ও ক্যালিব্রেশন ল্যাবরেটরি, মেডিকেল ল্যাবরেটরি, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পরিদর্শন সংস্থায় কর্মরত ৩০ জন অ্যাসেসর অংশ নেন।