• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০০ রাত

পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতার

  • প্রকাশিত ১০:৫৪ রাত ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯
বগুড়া

 র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের সদস্যরা শনিবার রাতে অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন

বগুড়ার শাজাহানপুরের চকলোকমান এলাকায় নিজের ছেলের বউকে (২৩) ধর্ষণের অভিযোগে মামলায় শফিকুল ইসলাম টগর (৫০) নামে এক ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের সদস্যরা শনিবার রাতে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন।

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধু শাজাহানপুর থানায় শ্বশুড়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ক্ষোভে ও লজ্জায় তিনি আত্মহত্যার জন্য বিষপানও করেছিলেন।

ওই গৃহবধু জানান, নয় বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের সাত বছরের এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। শ্বশুর শফিকুল ইসলাম টগর শাজাহানপুর উপজেলার চকলোকমান এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি মাঝে মাঝে তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন। বিনিময়ে সম্পত্তি লিখে দেবারও প্রলোভন দিতেন। প্রস্তাবটি তিনি ঘৃণাভরে প্রত্যখ্যান করতেন। কিন্তু লোকলজ্জা ও কেউ বিশ্বাস করবেনা তাই তিনি ঘটনাটি কারো কাছে প্রকাশ করেননি। প্রায় ৭ বছর আগে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন। বাধ্য হয়ে স্বামীকে জানালে তিনি তার বাবাকে মারধরও করেন। 

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় স্বামী বাহিরে থাকায় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন। এ সুযোগে শ্বশুর টগর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে মেয়ে ঘুম থেকে জ্বেগে উঠলে শ্বশুর পালিয়ে যায়। মনের দু:খে পরদিন তিনি তার খালাতো বোনের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ধর্ষণের ঘটনাটি স্বামীকে অবহিত করেন। ক্ষোভে ও দু:খে উকুননাশক ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন।

শনিবার দুপুরে স্বামীকে সাথে নিয়ে র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পে গিয়ে অভিযোগ করেন। এছাড়া শাজাহানপুর থানায় শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা দেন। ওই দম্পতি টগরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

র‌্যাব-১২ কোম্পানী কমান্ডার মেজর এসএম মোর্শেদ হাসান ও স্কোয়াড কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার এসএম জামিল আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, "শনিবার রাতে চকলোকমানের বাড়ি থেকে টগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে"।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাজাহানপুর থানার এসআই ওহিদুজ্জামান জানান, রবিবার আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।