• রবিবার, মার্চ ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০১ রাত

রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ স্থগিত

  • প্রকাশিত ১১:৫৭ সকাল মার্চ ১১, ২০১৯
ডাকসু
ডাকসু ভবন। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার সকাল ৮টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে একযোগে ভোট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও রোকেয়া হলে ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৯টায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কুয়েত মৈত্রী হলের ভোটগ্রহণ স্থগিত এবং প্রভোস্টকে বরখাস্তের পর পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর এবার রোকেয়া হলের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর সকাল ৯টায় এ হলের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দুই ঘণ্টা ভোটদান কার্যক্রম চলার পর সকাল ১১টায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করেন প্রভোস্ট প্রফেসর ড. জিনাত হুদা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্র ইউনিয়ন সমর্থিত প্যানেলের এক প্রার্থী ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, "হলে ভোটের জন্য মোট ৯টি ব্যালট বক্স থাকার কথা ছিল, কিন্তু তার মধ্য থেকে তিনটি নির্ধারিত জায়গায় ছিল না। পরে আমি একটি ব্যালট বক্স টেবিলের নিচে দেখতে পাই। আমাদেরকে জোর করে সেখান থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। সেখানে আমরা সিল দেয়া ব্যালট পেপার দেখেছি। পরে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সেখানে এলে একটা অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।"

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদা বলেন, "কেন তারা অনুমতি ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করল? তারা কারা? নিঃসন্দেহে তারা ভোটদান বাধাগ্রস্ত করতে চায়, আমি এটা চলতে দিতে পারি না।"

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রোকেয়া হল ও এর ভোটকেন্দ্রকে ঘিরে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল ৮ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো হলে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলবে বেলা ২টা পর্যন্ত। 

এবারের নির্বাচনে ডাকসুর ২৫টি পদে বিভিন্ন প্যানেল ও স্বতন্ত্রভাবে মোট ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে- ভিপি (ভাইস প্রেসিডেন্ট) পদে ২১ জন, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ১৪ জন, এজিএস (সহ সাধারণ সম্পাদক) পদে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।