• রবিবার, মার্চ ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০১ রাত

অনিয়মের অভিযোগে বিরোধীদের ভোট বর্জন, ছাত্রলীগের দাবি ‘গুজব’

  • প্রকাশিত ০১:৩৪ দুপুর মার্চ ১১, ২০১৯
ডাকসু নির্বাচন প্রত্যাখান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের প্রেস ব্রিফিং। ছবি: মেহেদী হাসান

"আমরা আগেও বলেছি হলে ভোটকেন্দ্র হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। আমরা ঘৃণাভরে এই নির্বাচন প্রত্যাখান করছি। সেইসঙ্গে পুনঃতফসিল ঘোষণা করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচন প্রত্যাখানের ঘোষণা দিয়েছে বামপন্থী ছাত্রজোট, কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রদলসহ অংশগ্রহনকারী ৬ টি প্যানেল। তবে ছাত্রলীগের দাবি, ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য  ‘গুজব’  ছড়িয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সোমবার দুপুর একটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন বামপন্থী জোটের ভিপি প্রার্থী ও ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী। উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী অরণী সেমন্তি খান ও কোটা আন্দোলন নেতা রাশেদসহ অন্যান্যরা।

লিটন বলেন, "আমরা আগেও বলেছি হলে ভোটকেন্দ্র হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। আমরা ঘৃণাভরে এই নির্বাচন প্রত্যাখান করছি। সেইসঙ্গে পুনঃতফসিল ঘোষণা করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।"

এদিকে, দুপুর দেড়টার দিকে মধুর ক্যান্টিনে আলাদা প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল।

তবে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখান করে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী ও ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ‘‘ছাত্রলীগের নিরঙ্কুশ বিজয় বুঝতে পেরেই তারা এ ধরনের ঘোষণা দিয়েছে। গুজব ছড়িয়ে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।’’ 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাড়ির দিকে অগ্রসর হচ্ছেন বামজোটের নেতা-কর্মীরা। সেইসঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবার সকল ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ডাকসু ও হল সংসদের ভোটগ্রহণ। তবে কোনও কোনও হলে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার কারণে ভোটগ্রহণ বিলম্বিত হয়, স্থগিতও করা হয় একাধিক হলের ভোটগ্রহণ।

এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসিন হলে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে লিটন নন্দী এবং রোকেয়া হলে কোটা আন্দোলন নেতা নুরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।