• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৪ রাত

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে ঘুষ চাওয়ায় এএসআই’র দুই বছর কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৪:১১ বিকেল মার্চ ২১, ২০১৯
আদালত
প্রতীকী ছবি

ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা জজ হোসনে আরা শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বিচারপতির বাসায় গিয়ে ঘুষ চাওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)-কে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া ওই পুলিশ সদস্যের নাম মো. সাদেকুল ইসলাম। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি থানার চড়োল গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

বিচারক আসামিকে দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুদক আইনের ৫(২) ধারায় ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। উভয় দণ্ড পৃথকভাবে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেন আদালত। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী ফজলুল হক বাবু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এম এ সালাউদ্দিন ইস্কান্দার।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের দুই মেয়ের পাসপোর্ট ভেরিফিকশনের জন্য তার বাসায় যান আসামি সাদেকুল। বিচারপতির স্ত্রী ডাক্তার সাবরিনা মোনাজিলিনের কাছে দুই হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি। ডাক্তার সাবরিনা আসামি সাদেকুলকে চা-নাশতা করার জন্য বখশিশ দিতে চাইলে না নিয়ে দুই হাজার টাকা চান তিনি। 

পরবর্তীতে ওই ঘটনায় একই বছরের ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা জজ হোসনে আরা শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৪ মে ২০১৭ সালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক রাহিলা খাতুন অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালে বিভিন্ন সময়ে চারজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেন আদালত।