• মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৪ রাত

শিক্ষকরা চুল কেটে দেয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ১০:০৮ রাত মার্চ ২৮, ২০১৯
ছাত্র বিক্ষোভ
জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শরীরচর্চা শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাথার চুল কেটে দেওয়ায় তাদের অপসারণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বিদ্যালয়টির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে ছাত্রদের দাবি মানলে স্কুলই আর থাকবেনা বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক

জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শরীরচর্চা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাথার চুল কেটে দেওয়ায় তাদের অপসারণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বিদ্যালয়টির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার ১৫নং রশিদপুর ইউনিয়নের তুলসীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান চান ও শরীরচর্চা শিক্ষক তাকওয়া তানভীর রুবেল কে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবিতে শাহবাজপুর থেকে রশিদপুর পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

এসময় প্রধান শিক্ষক ও শরীরচর্চা শিক্ষকের অপসারণ, জরিমানা আদায় বন্ধ করা, সর্বোচ্চ ৫০ টাকার অতিরিক্ত বেতন না নেওয়া, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বনভোজন ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের আযোজন করা, দুর্নীতিমুক্ত বিদ্যালয়, খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়া বন্ধ করাসহ ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে তাদের কাছ থেকে অন্যায়ভাবে জরিমানা আদায় করা হয়। কোনও শিক্ষার্থী জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে কিংবা দিতে অস্বীকার করলে তাদের মাথার চুল কেটে নেওয়া হয়। 

এদিকে চুল কেটে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও এটিকে অন্যায় হিসেবে মানতে অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান চান। উল্টে তাদের এই কার্যক্রমকে অনুশাসনের অংশ হিসেবে দাবি করেন তিনি।

ঢাকা ট্রিবিউনকে আসাদুজ্জামান চান বলেন, “ছাত্ররা খেলোয়াড়দের অনুকরণ করে মাথার চুল রাখে। এই কারণে ছাত্রদের শাসনে রাখতে তাদের চুল কেটে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ছাত্রদের দাবি মানলে তো স্কুলই থাকবেনা”।

এর আগে বুধবার সকালে শিক্ষকদের বিভিন্ন অনিয়ম ও চুল কেটে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় ক্লাস থেকে দশম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের বের করে দেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান চান।