• বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৬ রাত

অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে জাতীয় কমিশন গঠনের দাবি জানালেন ড. কামাল

  • প্রকাশিত ০২:০৯ দুপুর মার্চ ২৯, ২০১৯
ড. কামাল হোসেন
ড. কামাল হোসেন। ফাইল ছবি/রয়টার্স

"এ ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখব"

বহুতল ভবন তৈরিতে প্রয়োজনীয় আইন মানা হচ্ছে কি না এবং এসব ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে করনীয় নির্ধারন করতে জাতীয় কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, ভবন নির্মানে যে আইনগুলো রয়েছে প্রথমত সেগুলো পরীক্ষা করতে হবে, সেখানে কোন ঘাটতি আছে কি না। এতো এতো বহুতল ভবন হয়েছে এবং হচ্ছে সেগুলো আইন মেনে নির্মান করা হয়েছে কি না। সেগুলোর নকশায় কোন ঘাটতি ছিলো কি না বিষয়গুলো দেখতে হবে। নকশা না মেনে ভবন তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেটিও নির্ধারন করতে হবে।

ড. কামাল বলেন, এসব ভবনে আগুন লাগলে করনীয় কি হবে তাও নির্ধারন করতে হবে। মানুষতো ১০-১২ তলা থেকে লাফিয়ে বাঁচতে পারবে না। সব দেশেই এমন আইন রয়েছে, আমাদেরও রয়েছে। তাই এসব বিষয়গুলো পর্যবেক্ষনে জাতীয় পর্যায়ে একটা কমিশন গঠন করতে হবে। যেখানে এসব বিষয়ে অভিজ্ঞদের রাখতে পারে সরকার। যারা প্রত্যেকটি বিষয় সঠিক মূল্যায়ন করতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

কমিটির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সরকার যে কমিটির তৈরি করবে এতে যেন ইঞ্জিনিয়ার ও বড় মাপের আর্কিটেকচারাল ইঞ্জিনিয়ার থাকে। তারা পরামর্শ দিবে কিভাবে বিল্ডিং তৈরি করার সময় ফায়ার এক্সিট থাকতে হবে। এছাড়া এখন যে বিল্ডিংগুলো আছে সেগুলোর বর্তমান অবস্থাও তারা মূল্যায়ন করবে।

গণফোরামের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, আমরা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছি, এখানেই থেমে থাকবোনা। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ভবনটির নকশায় কি ছিলো, কার কিভাবে অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে চোখ বন্ধ করে দিয়েছিল নাকি বুঝে শুনে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখব। আপনাদের কারো কাছে কোন তথ্য থাকলে তা আমাদের দিয়ে সহায়তা করবেন।

এ সময় তিনি ভবন নির্মাণের নীতিমালা নিয়ে বলেন, বিদেশে আইন আছে ১০,১২ তলা বিল্ডিং নির্মাণ করতে হলে ফায়ার এক্সিট থাকতে হয়। কিন্তু এখানে অবাক হওয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটছে মানুষ মারা গেছে, কিন্তু কোনো ফায়ার এক্সিট পয়েন্ট ছিল না। এত বড় ভবন থেকে মানুষ প্রাণ বাঁচানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে এটা তো হতে পারে না।