• শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১২ রাত

সাগরপথে ৩ দালাল সহ ২২ রোহিঙ্গা আটক

  • প্রকাশিত ০৭:০০ রাত মার্চ ৩০, ২০১৯
রোহিঙ্গা
শনিবার রাতে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগর থেকে ৩ দলালসহ ২২জন রোহিঙ্গাকে আটক করে কোস্টগার্ড। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

তারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন

অবৈধভাবে সাগরপথে মালেয়শিয়া যাওয়ার সময় ৩জন দালাল সহ ২২ জন রোহিঙ্গা এবং ৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে কোষ্টগার্ড। শনিবার (৩০ মার্চ) ভোর রাতে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগর থেকে তাদের আটক করা হয়।

এসময় তাদের ব্যবহৃত একটি ট্রলারও জব্দ করা হয়েছে। আটকৃত দালালরা হলেন, টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা মোহাম্মদ কবির, মোহাম্মদ হোসেন ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার শেখ মাহমুদ হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, শনিবার ভোর রাতে ছেঁড়াদ্বীপসহ সেন্টমার্টিনের কয়েকটি উপকূলে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশে কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাদের জড়ো করে একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে সাগরপথে পাড়ি দেয়। এসময় খবর পেয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা অভিযান শুরু করে। এক পর্যায়ে ছেঁড়াদ্বীপের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগর থেকে ট্রলার সহ ২২জন রোহিঙ্গা, ৭জন বাংলাদেশী নাগরিক ও ৩জন দালালকে আটক করা হয়। এতে সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সহযোগিতা করেছেন আমাদের। আটককৃত রোহিঙ্গাদের টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে   সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান কোষ্টগার্ডের ওই কর্মকর্তা।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইকবাল হোসেন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাচারকারিদের তৎপরতারোধে পুলিশ সতর্কবস্থায় রয়েছে। সাগর কিছুটা শান্ত থাকায় রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে কয়েক মাস ধরে পাচারকারিরা রোহিঙ্গাদের সাগরপথে মালয়েশিয়া নিয়ে যাচ্ছে। এতে জড়িত রয়েছে কিছু রোহিঙ্গা দালাল। এজন্য আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসব দালালদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেস্টা করছি"।

উল্লেখ্য, শুস্ক মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও পাচারের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত তিন মাসে সাগরপথে মালয়েশিয়ার যাওয়ার পথে কোষ্টগার্ড, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও র‌্যাব সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে অন্তত ৩শতাধিক রোহিঙ্গা। এসময় আটক করা হয়েছে ২০জন দালালকেও।