• বুধবার, মে ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

ছিনতাইয়ের অভিযোগে জাবি ছাত্রলীগের ৫ কর্মী বহিষ্কার

  • প্রকাশিত ০৩:৫১ বিকেল এপ্রিল ১, ২০১৯
জাবি ছাত্রলীগ ছিনতাই
জাবিতে ছিনতাইয়ের অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীরা (বাঁ থেকে)- সঞ্জয় ঘোষ, রায়হান পাটোয়ারী, আল রাজী, শাহ মুসতাক সৈকত ও মোকাররম শিবলু। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ছিনতাইয়ের ঘটনা বিস্তারিত খতিয়ে দেখতে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগত এক ব্যক্তিকে মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাঁচ ছাত্রলীগ কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রক্টর বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ছাত্রলীগের ওই পাঁচ কর্মীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না তারা। এ ছাড়া ছিনতাই ও মারধরের বিষয়টি তাদের পরিবারকেও জানানো হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের কর্মীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সঞ্জয় ঘোষ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের মোহাম্মদ আল-রাজি, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের রায়হান পাটোয়ারী, দর্শন বিভাগের মোকাররম শিবলু ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শাহ মুশতাক সৈকত। তাদের মধ্যে সঞ্জয় ঘোষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪তম আবর্তন ও বাকিরা ৪৫তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।

আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান আরও জানান, ছিনতাইয়ের ঘটনা বিস্তারিত খতিয়ে দেখতে ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এই কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গাড়িচালকের জামাতা মনির হোসেন তার কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বিশমাইল এলাকার সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে মুঠোফোন, নগদ টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেন। একপর্যায়ে মনির হোসেন পালানোর চেষ্টা করলে তাকে জোর করে ইজিবাইকে করে বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছনে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করেন। পরে তারা মুঠোফোনে মনিরের স্ত্রীর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী ঘটনাস্থলে গেলে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাত্রলীগের অভিযুক্ত কর্মীরা পালানোর চেষ্টা করেন। কর্মচারীরা তাদের মধ্যে তিনজনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন। ওইদিনই ঘটনার বিচার চেয়ে ওইদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মনির হোসেন।