• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৪ রাত

আইজিপি: পুলিশের একার পক্ষে সব অপরাধ নির্মূল সম্ভব না

  • প্রকাশিত ০৫:৩৮ সন্ধ্যা এপ্রিল ২, ২০১৯
আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী
মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশের আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

আইজিপি বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, আমরা জেগে থাকব তাদের নিরাপত্তায়।

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, আমরা চাই এদেশের জনগনের পুলিশ হতে। কিন্তু, পুলিশের একার পক্ষে সব ধরনের অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব না। অপরাধ সমূলে উৎপাটন করতে চাইলে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, ইমাম, পেশাজীবিসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন। 

মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে বার্ষিক পুলিশ সমাবেশ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার আগে পুলিশ লাইন্সের ‘স্বোপার্জিত পতাকা ভাস্কর্য’ ও ‘মহিলা পুলিশ ব্যারাক’র উদ্বোধন ঘোষণা করে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।

জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, জঙ্গিরা দেশকে গ্রাস করতে চেয়েছিল। সারা বিশ্বের কাছে একটি নেতিবাচক দেশ হিসেবে হিহ্নিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার সহযোগিতায় পুলিশ জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। ইতোমধ্যেই জঙ্গি নির্মূলে পুলিশ সফল হয়েছে। দেশে একজন জঙ্গি থাকা পর্যন্ত দেশব্যাপী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, আমরা জেগে থাকব তাদের নিরাপত্তায়।

আইজিপি আরও বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি’ বলবৎ আছে। যারা এ পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। যারা মাদক ব্যবসায় জড়িত, তারা যত শক্তিশালীই হোক, আইনের আওতায় তাদের আসতেই হবে। মাদক ব্যবসায়ীরা আইনের কাছে আত্মসমর্পন না করলে আগামীতে তাদের জন্য ভয়ানক দিন অপেক্ষা করছে। 

৯৯৯ সেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে তৃণমূলের অপরাধ চিহ্নিত করে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে। সাধারণ মানুষ এ পদক্ষেপের মাধ্যমে এরই মধ্যে বেশ সুফলও পাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ- প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে দ্রুত সময়ের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেওয়া যাচ্ছে এর মাধ্যমে।

এ সময় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন, আরএমপির কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ) মাসুদুর রহমান ভুঞা, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ/অপারেশন) নিশারুল আরিফ, পুলিশ সুপার (এস্টেট ওয়েলফেয়ার) বেলায়েত হোসেন, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ, সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তী, পৌর মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, কমিউনিটি পুলিশিং জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. বিমল কুমার দাসসহ পুলিশের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।