• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩১ রাত

হলি আর্টিজানে হামলা: পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৯ এপ্রিল

  • প্রকাশিত ০৬:০৫ সন্ধ্যা এপ্রিল ৩, ২০১৯
হলি আর্টিজান
২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালানো জঙ্গিরা ছিল ইংরেজি মাধ্যম থেকে পড়া। ফাইল ছবি। মাহমুদ হোসাইন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন গিয়াস উদ্দিন ও মতিয়ার রহমান। গিয়াস উদ্দিনের বারিধারা বাসায় জঙ্গিরা ভাড়া থাকতেন। আর মতিয়ার জঙ্গি তানভীর কাদেরের প্রতিবেশি ছিলেন।

অপরদিকে আসামি রাকিবুল হাসান রিগানের চিকিৎসা চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী ফারুক আহম্মদ।

আবেদনে বলা হয়, রিগানের পায়ের সমস্যার কারণে স্ক্র্যাচ দিয়ে হাঁটেন। হাঁটার কারণে তার পায়ে ইনফেকশন হয়ে গেছে। শুনানি শেষে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেন।

এ ছাড়াও আসামি আসলাম হোসেন সরদার কারাবিধি অনুযায়ী উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এইচএসসিতে ও আসামি শরিফুল ইসলাম খালেদ অনার্সে ভর্তির আবেদন করলে সে বিষয় আদেশ পরে দেবেন বলে জানান আদালত।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তখন তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হন। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় মামলা করে পুলিশ।

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।

এ ছাড়া বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়। এদের মধ্যে আটজন বিভিন্ন অভিযানে ও পাঁচজন হলি আর্টিজানেই নিহত হন।

হলি আর্টিজানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এ নিহত পাঁচ হামলাকারী হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

এ ছাড়া এ মামলায় আসামিদের মধ্যে বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।