• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫০ সকাল

বৃটিশ হাইকমিশনার: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ এক উন্নয়নশীল ‘জায়ান্ট’

  • প্রকাশিত ০৮:৫৯ রাত এপ্রিল ৪, ২০১৯
বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন
রাজধানীর এক হোটেলে বৃহস্পতিবার আয়োজিত কসমস সংলাপে (বাঁ থেকে) ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের প্রিন্সিপাল রিসার্চ ফেলো ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন ও কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান। ছবি: ইউএনবি

'বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সফলতার গল্পের ওপর গড়ে উঠা যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বিস্তৃত করতে আমরা আগ্রহী'

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে এক উন্নয়নশীল ‘জায়ান্ট’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক: ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস’ শীর্ষক এক কসমস সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃটিশ হাইকমিশনার বলেন, "বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ এক উন্নয়নশীল ‘জায়ান্ট'। যুক্তরাজ্য দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশের সাথে শক্তিশালী রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব চায়"।

তিনি আরো বলেন, "রাজনৈতিক সম্পর্কের এক বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে উন্নয়নশীল জায়ান্ট হিসেবে তাদের ন্যায্য জায়গায় অধিষ্ঠিত হয়েছে"।

"বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সফলতার গল্পের ওপর গড়ে উঠা যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্ককে বিস্তৃত করতে আমরা আগ্রহী। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং বৈশ্বিক সুযোগ রক্ষায় দুই দেশ একসাথে কাজ করতে পারে", যোগ করেন বৃটিশ হাইকমিশনার।

এসময় ব্রেক্সিটের পর নতুন অংশীদারিত্বের জন্য ব্রিটেন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত-বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর দিকে নজর দেবে বলেও জানান রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন।

এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন এবং উন্মুক্ত ও অবাধ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমর্থনের মতো বিষয়গুলোতে জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ একসাথে কাজ করতে পারে বলেও মত প্রকাশ করেন বৃটিশ হাইকমিশনার।

উল্লেখ্য, কসমস ফাউন্ডেশন তাদের অ্যাম্বাসেডর লেকচার সিরিজের দ্বিতীয় সংস্করণের অংশ হিসেবে এ সংলাপের আয়োজন করে।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের (আইএসএএস) প্রিন্সিপাল রিসার্চ ফেলো ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান।