• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

ঢামেক: ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে সিঙ্গাপুরে নেয়া সম্ভব নয়

  • প্রকাশিত ১২:২২ দুপুর এপ্রিল ৯, ২০১৯
ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। ফোকাস বাংলা

'সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের সাথে আমাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে'

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন ফেনীর সেই মাদ্রাসা ছাত্রীকে বর্তমান শারীরিক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ।

ঢামেক বার্ণ ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন ঢাকা ট্রিবিউনকে মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, "আমরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর জেলারেল হাসপাতালের চিকিতসকদের সাথে কথা বলেছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন এই অবস্থায় ঐ শিক্ষার্থীকে সিঙ্গাপুরে স্থানান্তর করা সম্ভব নয়"। 

"সেখানকার চিকিৎসকেরা ঐ শিক্ষার্থীর চিকিৎসা নিয়ে আমাদের নানা পরামর্শ দিচ্ছেন। আমরা সেই অনুযায়ী তার চিকিৎসা চালাচ্ছি। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের সাথে আমাদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে", যোগ করেন ডা. সামন্ত লাল সেন।


আরোও পড়ুন: দগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


এর আগে সোমবার, প্রধানমন্ত্রী ঐ শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আগুনে দগ্ধ শিক্ষার্থীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে ডা. সামন্ত বলেন, "তার ব্লাড রিপোর্ট আগের থেকে একটু ভালো হয়েছে। তবে, তার শারীরিক অবস্থার কোন উন্নতি কিংবা অবনতি কোনতাই হয়নি"।  

উল্লেখ্য, গত শনিবার (৬ এপ্রিল) ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় চলমান এইচএসসি পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে ঐ মাদরাসা ছাত্রীর শরীরে আগুন দেয় বোরখাপরা ৪ দুর্বৃত্ত। আগুনে ওই ছাত্রীর শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে যায়। পরবর্তীতে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে ঐ মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গত ১ এপ্রিল যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন ঐ শিক্ষার্থী। এর প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার হন ঐ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। ঐ ছাত্রীর পরিবারের দাবী অধ্যক্ষের নির্দেশেই আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।