• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা চান শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রকাশিত ০৬:৪৯ সন্ধ্যা এপ্রিল ১০, ২০১৯
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ছবি: মাহমুদ হোসাইন অপু/ ঢাকা ট্রিবিউন (ফাইল ছবি)।

মন্ত্রী বলেন, অনেক সময় আমি শুনি ছেলেরা মসজিদে রাতে ঘুমিয়ে পরীক্ষা দেয়। মেয়েরা কোথায় গিয়ে থাকবে?

মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার মতো সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও সমন্বিত বা গুচ্ছ পদ্ধতিতে একসঙ্গে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি জানি কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বিশ্ববিদ্যালয়, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন কারণে এর বিরোধিতা করে। কিন্তু সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষাটি শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য খুবই জরুরি।”

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ লাঘবে এ প্রক্রিয়ায় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারকে সহায়তা করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এবার সারা দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী। জুলাইয়ে ফল প্রকাশের পর শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লড়াই। বর্তমানে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকেন। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি তাদের প্রচুর অর্থও ব্যয় হয়।

কিন্তু দেশের সবগুলো মেডিক্যাল কলেজে একই দিনে একসঙ্গে এক প্রশ্নে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে তখনকার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও বিভিন্ন পক্ষের বিরোধিতায় তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, “অনেক হয়রানি কমে যায়, অর্থ অপচয় কমে যায়, কষ্ট কমে যায়। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সম্ভব না সারাদেশে এখানে ওখানে সেখানে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া।

শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “অনেক সময় আমি শুনি ছেলেরা মসজিদে রাতে ঘুমিয়ে পরীক্ষা দেয়। মেয়েরা কোথায় গিয়ে থাকবে? তাদের বাবা-মা এবং সব বাবা-মায়ের পক্ষে কি তা সম্ভব? এটা তো সম্ভবও নয়।”

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সমন্বিত করতে পারি, তাহলে কেন অন্য ভর্তি পরীক্ষা সমন্বিত করতে পারব না? আমাদের যদি সবার একটু সদিচ্ছা থাকলে, তাহলে নিশ্চয়ই আমরা পারব। এক্ষেত্রে আমি আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের সহযোগিতা দেবেন।”