• সোমবার, মে ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

অধ্যক্ষ সিরাজের আইনজীবীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

  • প্রকাশিত ০৫:২৬ সন্ধ্যা এপ্রিল ১১, ২০১৯
ফেনী আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী বুলবুল সোহাগ
ফেনী আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী বুলবুল সোহাগ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বহিষ্কৃত অ্যাডভোকেট কাজী বুলবুল সোহাগ ফেনীর কাজীরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার পক্ষে মামলা পরিচালনা করায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত অ্যাডভোকেট কাজী বুলবুল সোহাগ ফেনীর কাজীরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান।

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

এদিকে, বুধবার কেন্দ্রের এ সিদ্ধান্তের আগেই বুলবুলকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা আওয়ামী লীগ।

ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নূর হোসেন জানান, বুধবার উপজেলা কমিটি অ্যাডভোকেট বুলবুল সোহাগকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। বিষয়টি তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে, দলের যে কোনও নেতাকে বহিষ্কারের এখতিয়ার রাখে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে কাউকে সাময়িক বহিষ্কারের সুপারিশ করার ক্ষমতা তৃণমূলের আছে। এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কেন্দ্রীয় কমিটিরই। কেন্দ্র বুলবুলকে বহিষ্কারের চিঠি দেওয়ায় সেটি কার্যকর হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহানের মৃত্যু হয়। নুসরাতকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম (এইচএসসি) পর্যায়ের আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান ওই ছাত্রী। এরপর কৌশলে তাকে পাশের ভবনের ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। ওই সময় বোরকা পরিহিত ৪-৫ জন তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

এর আগে ২৭ মার্চ ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা। এ ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। ওই দিনই অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি রিমান্ডে রয়েছেন।