• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

চিরনিদ্রায় শায়িত নুসরাত

  • প্রকাশিত ০৭:২৫ রাত এপ্রিল ১১, ২০১৯
নুসরাত
নুসরাত জাহান রাফি। ফাইল ছবি।

এর আগে বিকেল ৫ টা ৫৩ মিনিটে ফেনীর সোনাগাজী মোহাম্মদ ছাবের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বিকেল ৫ টা ৫৩ মিনিটে ফেনীর সোনাগাজী মোহাম্মদ ছাবের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

নুসরাতের লাশের গাড়ি বিকাল সোয়া ৫টার দিকে সোনাগাজীতে পৌঁছায়।

জানাজায় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল আনম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিকম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন সেন্টু, জাতীয় পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খন্দকার ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন।

প্রসঙ্গত, নুসরাত জাহান রাফি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিমের পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে এর আগেও ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এ সময় তাকে কৌশলে একটি বহুতল ভবনে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তার গায়ে দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন দেওয়া হয়। বুধবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান।

নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর ৮ এপ্রিল তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সোনাগাজী থানায় একটি মামলা (নম্বর ১০) দায়ের করেন।

আসামিদের মধ্যে পলাতক রয়েছে—সোনাগাজীর পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলম, অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার অন্যতম সহযোগী নূরউদ্দিন, ওই মাদ্রাসার ছাত্র সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন শামীম, জাবেদ হাসান ও আব্দুল কাদের।