• সোমবার, মে ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

নুসরাত হত্যা : এই ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ

  • প্রকাশিত ১০:৪৮ সকাল এপ্রিল ১৭, ২০১৯
আবদুল কাদের মানিক
আবদুল কাদের মানিক। ছবি : সংগৃহীত

মানিক অধ্যক্ষ সিরাজের অনুগত হিসেবে মাদ্রাসার হোস্টেলে থাকতেন।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হাফেজ আবদুল কাদের মানিককে (২৫)হন্যে হয়ে খুঁজছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন  (পিবিআই) একাধিক টিমের সদস্যরা।   

নুসরাত হত্যা মামলায় একমাত্র পলাতক আসামি মানিক আমিরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব সফরপুর গ্রামের মনছুর খান পাঠান বাড়ির আবুল কাসেমের ছেলে । তিনি সোনাগাজী ইসলামীয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ও একই মাদ্রাসার ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। মানিক অধ্যক্ষ সিরাজের অনুগত হিসেবে মাদ্রাসার হোস্টেলে থাকতেন।

গত ৮ এপ্রিল কাদেরসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান এই ঘটনায় মামলা করেন্। মামলা পর থেকে গা ঢাকা দেন হাফেজ মানিক। ঘটনার পরের দিনও তাকে সোনাগাজি উপজেলা সদরে ও থানা এলাকায় দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

জানা গেছে, ৬ এপ্রিল নুসরাত অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পরদিন মালামাল নিয়ে হোস্টেল ত্যাগ করে বাড়িতে অবস্থান করেন আবদুল কাদের মানিক।

আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, 'ওই গ্রামের জসিম উদ্দিন ও আজগর হোসেন মাধ্যমে জানতে পারি, সে (মানিক)  ১২ এপ্রিল বিকেলে বসতঘরে  তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। সঙ্গে ছিলেন কাদেরের বাবা-মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।' 

মানিকের এক ভাই দিনমজুর, একভাই মালদ্বীপে অবস্থান করছেন এবং অপর এক ভাই ঢাকায় একটি কারখানায় চাকরি করেন। তার তিন বোনই বিবাহিত। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই-এর পরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, 'আবদুল কাদেরকে ধরতে তাদের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারবো।'