• রবিবার, মে ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১০ বিকেল

নুসরাতের শরীরে 'আগুন দেওয়া' মনির ৫ দিনের রিমান্ড

  • প্রকাশিত ০১:৩৬ দুপুর এপ্রিল ১৭, ২০১৯
কামরুন নাহার মনি
কামরুন নাহার মনি

মনি নুসরাতের সহপাঠি ও ওই মাদ্রাসা থেকে আলিম পরিক্ষার্থী ।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক কামরুন নাহার মনিকে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। 

আজ বুধবার দুপুরে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাফ উদ্দিন আহমদ এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে মনিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। 

ফেনী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কামরুন নাহার মনির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পাঁচ দিন মঞ্জুর করেন। 

গতকাল মঙ্গলবার আটক করা হয় কামরুন নাহার মনিকে। তিনি নুসরাতের সহপাঠি ও ওই মাদ্রাসা থেকে আলিম পরিক্ষার্থী ।

এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি নূরউদ্দিন রোববার রাতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মনির বিষয়ে তথ্য দেন। 

নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

মামলার এজহারভুক্ত আটজনের মধ্যে সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদদৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুকছুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সিরাজের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, যোবায়ের হোসেন, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন ও মো. শামীম।

তবে হাফেজ আবদুল কাদের নামে এজহারভুক্ত আরও এক আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পিবিআই।

গত ৬ এপ্রিল শনিবার সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় মুখোশ পরা চার-পাঁচজন নুসরাত জাহান রাফিকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। অস্বীকৃতি জানালে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

গত ১০ এপ্রিল বুধবার রাত ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি।