• বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৩ রাত

কিশোরীকে 'ধর্ষণ', ভিডিও করে হুমকি

  • প্রকাশিত ০২:১৭ দুপুর এপ্রিল ১৭, ২০১৯
ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

 পহেলা বৈশাখের দুই দিন আগে ওই কিশোরী কুলাউড়ার বাসায় যায়।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ধর্ষণের ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। 

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর দেওয়া জবানবন্দী থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। 

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই কিশোরীকে পুলিশের সহায়তায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ওই কিশোরীর দেওয়া বক্তব্য থেকে জানা যায়, ১৫ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের শুকুর আলী মোবাইল ফোনে ওই কিশোরীকে কুলাউড়া পৌরসভার সামনে যেতে বলে। সেখানে গেলে জোর করে সিএনজি অটোরিকশায় তোলা হয়। এসময় সিএনজিতে থাকা অপর লোকজন তাকে মুখে রুমাল দিয়ে বেঁধে  নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সিএনজি চালকসহ সাতজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। 

পরে রাত ১১টার দিকে ওই কিশোরীকে কুলাউড়া রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ফেলে রাখা হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় সে নিজ বাসায় ফিরে যায়। 

ওই কিশোরী তার বক্তব্যে জানায়, ধর্ষণের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং বিষয়টি কাউকে না বলার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পরে আবার তাদের ডাকে সাড়া না দিলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। 

কিশোরীর ছোট ভাই জানায়, তার বোন সিলেটের একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করে। পহেলা বৈশাখের দুই দিন আগে সে কুলাউড়ার বাসায় যায়।

ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের প্রোগ্রাম অফিসার আমান উল্লাহ বলেন, 'ঘটনা জানার পর আমি বিষয়টি কুলাউড়া থানা পুলিশকে জানাই এবং নির্যাতিতার বক্তব্য নেই। মেয়েটি দরিদ্র পরিবারের। যৌন নির্যাতনের পাশাপাশি মেয়েটিকে শারীরিকভাবে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে।'

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, মঙ্গলবার দুপুর থেকে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে চেষ্টা করছে। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।