• সোমবার, আগস্ট ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪২ সকাল

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী: প্রবীণদের অভিজ্ঞতা সর্বত্র কাজে লাগাতে হবে

  • প্রকাশিত ০৭:২৩ রাত এপ্রিল ১৭, ২০১৯
বয়স্ক ব্যক্তি
ফাইল ফটো/ ঢাকা ট্রিবিউন

‘পরিবার থেকে শুরু করে দেশ পরিচালনা পর্যন্ত প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করতে হবে’

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি বলেছেন, “গত ১০ বছরে দেশে ব্যাপক উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশে এখন মানুষের গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ বছর। দেশে বর্তমানে এক কোটির উপরে প্রবীণ জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং প্রবীণ জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির হার ৪.৪১ শতাংশ।” এ বৃদ্ধির ফলে এই বিরাট সংখ্যক প্রবীণদের জন্য আমাদের নতুনভাবে ভাবতে হবে বলেও তিনি জানান।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম ও প্রবীণ বন্ধু ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত "উন্নত দেশ গঠনে প্রবীণ প্রবীণ নাগরিক ও সাংবাদিক সমাজের ভুমিকা" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কথা বলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরো বলেন, “রাষ্ট্রের পাশাপাশি প্রবীণদের জন্য সকল নাগরিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। স্বাস্থ্য সমস্যাসহ চলাফেরায় নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। সরকার প্রবীণদের এরকম নানা ধরনের সমস্যার কথা বিবেচনায় এনে তাদেরকে সিনিয়র সিটিজেন ঘোষণা করা হয়েছে। প্রবীণদের পরিবারে মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য পিতা মাতার ভরণপোষণ আইন পাশ করা হয়েছে।এর জন্য আলাদা নীতিমালাও করা হয়েছে। আমাদের বর্তমান ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে প্রবীণদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এই খাতে মোট বাজেট ২৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বাজেটে আমরা ভাতাভোগীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবো।"

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের সমাজব্যবস্থায় প্রবীণদের অভিজ্ঞতা সর্বত্র কাজে লাগাতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করে দেশ পরিচালনা পর্যন্ত প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করতে হবে।পাশাপাশি সিনিয়র সিটিজেন ঘোষণার বাস্তবায়ন, বিকল্প আনন্দদায়ক কর্মসংস্থান, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, চিকিৎসা সেবাসহ প্রবীণদের পারিবারিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বর্তমান সরকারের এবারের বাজেটে প্রবীণদের জন্য ২৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই টাকা থেকে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা সন্মানী প্রদান করা হচ্ছে। এইখাতে প্রবীণদের সংখ্যা দ্বিগুণ করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হবে।"