• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩১ রাত

নুসরাত হত্যা: ৫ দিনের রিমান্ডে শামীম

  • প্রকাশিত ০৫:৪১ সন্ধ্যা এপ্রিল ১৮, ২০১৯
নুসরাত হত্যার আসামি
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি তার সহপাঠী মো. শামীমকে (১৯) ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ছবি:ঢাকা ট্রিবিউন

নুসরাত হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি তার সহপাঠী মো. শামীমকে (১৯) ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরাফউদ্দিন আহমেদের আদালত এ আদেশ দেন।

ফেনী পিবিআই’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মনিরুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "মো: শামীমের ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন"।

এর আগে সোমবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ৭টার দিকে তাকে সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। নুসরাত হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। এদের মধ্যে এজাহারভুক্ত সাতজন, বাকিরা সন্দেহভাজন।

এছাড়াও এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি নূরউদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম ও আব্দুর রহিম শরীফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

প্রসঙ্গতঃ নুসরাত সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষ সিরাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে, সিরাজের লোকজন মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেয়। তাতে কাজ না হলে গত ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে নুসরাতের গায়ে আগুন দেয় অভিযুক্তরা। এতে তার শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে যায়। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ণ ইউনিটে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় নুসরাত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।