• বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৬ রাত

নুসরাত হত্যা: আসামি আবদুল কাদেরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  • প্রকাশিত ১১:১৩ রাত এপ্রিল ১৮, ২০১৯
হত্যা মামলার আসামি হাফেজ আবদুল কাদের
বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হয় নুসরাত হত্যা মামলার ৭ নং আসামি হাফেজ আবদুল কাদেরকে। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার রাতে তাকে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৭নং আসামি হাফেজ আবদুল কাদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ফেনীর বিচারিক হাকিম শরাফ উদ্দিনের আদালতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন হাফেজ আবদুল কাদের।

এর আগে বুধবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর এলাকার ৬০ ফিট এলাকা থেকে তার বড় ভাই রহিমের বাসা থেকে আবদুল কাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই জানায়, আবদুল কাদের সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক এবং ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার অনুগত হিসেবে মাদরাসার হোস্টেলে থাকতেন আবদুল কাদের। তার পিতা আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তবে, তিনি সরাসরি শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। উপজেলা জামায়াতের আমির মো. মোস্তফা অবশ্য জানিয়েছেন অনেক আগেই অপকর্মের দায়ে তাকে শিবির থেকে বহিস্কার করা হয়।

এর আগে রবিবার ওই মাদ্রাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, মাদ্রাসা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামীম এবং বুধবার বিকালে ওই মাদ্রাসার ছাত্র আবদুর রহিম শরীফসহ তিন আসামি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তারা জবানবন্দিতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার নির্দেশে তারা নুসরাতের গায়ে আগুন দিয়েছে বলে স্বীকার করে। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করেছে পিবিআই। আলোচিত এই হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

এর আগে টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি। পরদিন সকালে ময়তদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দিলে সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নুসরাতকে দাফন করা হয়।