• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

জায়ানের লাশ আসবে বুধবার, শ্রীলঙ্কায় চিকিৎসা চলছে মশিউলের

  • প্রকাশিত ০২:৩৩ দুপুর এপ্রিল ২২, ২০১৯
জায়ান
ছবি: সংগৃহীত

ব্রেকফাস্ট করার জন্য শেখ সেলিমের জামাই মশিউল এবং তার ছেলে জায়ান চৌধুরী একটি হোটেলে গিয়েছিলেন। হোটেলের নিচেই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে জায়ান নিহত হয়।

শ্রীলঙ্কার চার্চ ও হোটেলে সিরিজ বোমা হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরীর লাশ বুধবার (২৪ এপ্রিল) দেশে আসবে। হামলায় আহত হয়েছেন জায়ানের বাবা মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স সেখানকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শেখ সেলিমের ব্যক্তিগত সহকারী ইমরুল হক ঢাকা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় শেখ সেলিমের জামাতা মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স আহত হয়ে হাসপাতালে শ্রীলঙ্কায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে অবশ্য মঙ্গলবার জায়ানের মরদেহ ঢাকায় আসবে বলে শোনা গিয়েছিল।

তিনি আরও জানান, জায়ানের মরদেহ দেশে আনতে এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় অবস্থান করছেন শেখ সেলিমের স্ত্রী এবং দুই ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম ও শেখ ফজলে নাঈম। জায়ান চৌধুরী সোমবার শ্রীলঙ্কায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়। তার বাবা মশিউল হক গুরুতর আহতাবস্থায় কলম্বোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় এ মুহূর্তে দেশে আনা যাচ্ছে না। মশিউল হক চৌধুরী সপরিবারে কলম্বোতে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে তারা বোমা হামলার শিকার হন। বোমা হামলার পর জায়ানের খবর পাওয়া যায়নি। পরে একটি হাসপাতালে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এদিকে, সোমবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় শেখ সেলিমের বনানীর বাসভবন থেকে বের হয়ে এসে আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার মোশাররফ সাংবাদিকদের জানান, মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্সের দুটি পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। তিনি শ্রীলঙ্কার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘‘শেখ সেলিমের জামাই খুব বাজেভাবে আহত হয়েছেন। তার দুটো পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। কমপক্ষে ১৫ দিন না গেলে তাকে হাসপাতাল থেকে মুভ করানো সম্ভব হবে না।’’

তিনি আরও বলেন, ব্রেকফাস্ট করার জন্য জামাই এবং তার ছেলে জায়ান চৌধুরী একটি হোটেলে গিয়েছিলেন। হোটেলের নিচেই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে জায়ান নিহত হয়।

প্রসঙ্গত, রবিবার শ্রীলঙ্কায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে চলাকালে গির্জা এবং বিলাসবহুল হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০ জনে। দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।