• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২৫ বিকেল

নুসরাত হত্যা: আসামি শাকিল কারাগারে

  • প্রকাশিত ১১:২৯ রাত এপ্রিল ২৬, ২০১৯
আসামি শাকিল
নুসরাত হত্যা মামলার আসামি মহিউদ্দিন শাকিল। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

শুক্রবার তাকে জেল-হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

ফেনীর সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় অন্যতম আসামি মহিউদ্দিন শাকিলকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মহিউদ্দিন শাকিলকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শরাফ উদ্দিন আহম্মেদ এর আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।  

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনী শহরের উকিলপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শাকিল সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামের রহুল আমীনের ছেলে। সে নুসরাত জাহান রাফির সহপাঠী। নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার সময় শাকিল মাদ্রাসার মূল ফটকে পাহারায় ছিল। আসামি শাহাদাত হোসেন শামীম ও নুর উদ্দিনের স্বীকারোত্তিমূলক জবানবন্দিতে শাকিলের নাম উঠে আসে।

প্রসঙ্গতঃ এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। গ্রেফতারকৃতরা হলো মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ্দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগ্নি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, সাইফুর রহমান জোবায়ের, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন, মো. শামীম, কামরুন নাহার মনি, উন্মে সুলতানা মনি, আবদুর রহিম শরিফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন, ইফতেখার উদ্দিন রানা ও এমরান হোসেন মামুন এবং মহিউদ্দিন শাকিল। এর মধ্যে ৮ জন আসামি ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়াও মামলার ৭ আসামি বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছে।