• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২৫ বিকেল

স্বেচ্ছায় স্বাক্ষ্য দিলো নুসরাতের দুই সহপাঠি

  • প্রকাশিত ০১:৫৬ দুপুর মে ৬, ২০১৯
নুসরাত
নুসরাত জাহান রাফি। ফাইল ছবি।

রবিবার সন্ধ্যায় ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে সাক্ষ্য দেয় তারা

নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে নুসরাতের দুই সহপাঠী।  রবিবার সন্ধ্যায় ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে সাক্ষ্য দেয় তারা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাখ্য প্রদানকারী দুই শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

এর আগে নুসরাত হত্যার সময় আসামি জোবায়ের আহমেদ ও  শাহাদাত হোসেন শামীম যে বোরকা পরেছিল তা উদ্ধার করে পিবিআই।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ের দায়ে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে চাপ প্রয়োগের পরও নুসরাত সিরাজের বিরুদ্ধে মামলা তুলে না নেওয়ায় গত ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে নুসরাতকে মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ করে সিরাজের টাকা দিয়ে পোষা অনুসারীরা। এতে নুসরাতের শরীরে ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় নুসরাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই গত ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯ টায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নুসরাত।