• বুধবার, জুন ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪১ দুপুর

পাবনায় গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা

  • প্রকাশিত ০৫:৩০ সন্ধ্যা মে ৯, ২০১৯
আগুন
প্রতীকী ছবি

কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাশুড়ি, ননদ ও ভাসুরের স্ত্রী মিলে শজি খাতুনের শরীরে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন।

পারিবারিক কলহের জেরে পাবনায় শজি খাতুন (৩২) নামে এক গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। 

বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে জেলার আমিনপুর থানার ত্রিমোহনী তালিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শজি খাতুনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে আসেন প্রতিবেশিরা। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেলে ওই গৃহবধূকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গৃহবধূর ননদ সামেলা খাতুনকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী ছুরমান মন্ডল মালয়েশিয়া প্রবাসী। প্রতিমাসে তিনি বোন সামেলা খাতুনের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠান। ননদ সামেলা খাতুন প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে দেন শজি খাতুনকে। কিন্তু, এই অর্থে সংসার চালানো কষ্টকর হওয়ায় শাশুড়ি-ননদ, ভাসুর ও জায়ের সঙ্গে কলহ দেখা দেয় শজি খাতুনের। 

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাশুড়ি, ননদ ও ভাসুরের স্ত্রী মিলে শজি খাতুনের শরীরে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ননদ সামেলা খাতুনকে আটক করে। অভিযুক্ত অন্যান্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

চিকিৎসক জানিয়েছেন, আগুনে তার শরীরের পঞ্চাশ শতাংশের বেশি পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় শজি খাতুনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে আসে স্বজনেরা। চিকিৎসকরা  তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন।