• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩১ রাত

ভিক্ষার থালা হাতে চট্টগ্রামে পাটকল শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ০৪:১১ বিকেল মে ১৩, ২০১৯
পাটকল শ্রমিকদের বিক্ষোভ
নয় দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সারাদেশে রাজপথ-রেলপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকলের শ্রমিকরা।ছবি: ইউএনবি

নয় দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সারাদেশে রাজপথ-রেলপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছেন রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকলের শ্রমিকরা।

মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন এবং বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন চট্টগ্রামের পাটকল শ্রমিকরা। এসময় তারা পাটমন্ত্রী ও বিজেএমসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের চেয়ে ভিক্ষার থালা হাতে নিয়ে সড়কে অবস্থান নেন।

নগরীর আমিন জুট মিলের শ্রমিকরা এসব দাবিতে সোমবার (১৩ মে) সকাল থেকে মিলের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ইউএনবি জানায়, বকেয়া বেতন আদায়, মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ নয় দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সারাদেশে রাজপথ-রেলপথ অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছেন রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকলের শ্রমিকরা।

আমিন জুট মিল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, আমাদের এখানে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কাজ করেন। গত ১১ সপ্তাহ অর্থাৎ দুই মাসেরও অধিক সময় ধরে তারা বেতন বঞ্চিত। আমাদের এখনও পর্যন্ত কোনো মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন করা হয়নি। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই এসব নিয়ে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আসছি। বিজেএমসি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বরাবর চিঠিও পাঠিয়েছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। গত দুই দিন আমরা রাজপথে মিছিল ও সমাবেশ করেছি। আর আজকে অনেকটা অপারগ হয়ে রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথেই থাকবো।

শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ তৌহিদ হাসনাত খান বলেন, আমরা ইতোমধ্যে জুন মাসের বেতনসহ ৩৩৮ কোটি টাকা চেয়ে মন্ত্রণালয় বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের চেয়ারম্যান, সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী ওয়াকিবহাল। আশা করছি শিগগিরই বিষয়টির সমাধান হবে। তবে কবে নাগাদ হবে তা এখনই বলতে পারছি না।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন আমিন জুট মিলের ছয়টি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে দুইটি ইউনিট প্রায় সময়ই বন্ধ থাকে। অপর চারটি ইউনিটের কার্যক্রমও চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।