• শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১২ রাত

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৯:৪৯ রাত মে ১৪, ২০১৯
র‍্যাব লক্ষ্মীপুর ধর্ষণচেষ্টা
ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত র‍্যাব সদস্য সুমন ঢাকা ট্রিবিউন

বিষয়টি জানাজানি হলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তার পরিবারকে বলে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সুমন নামে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এক সদস্যের বিরুদ্ধে।  

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে এসে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী এ অভিযোগ জানায়। সে সদর উপজেলার কামানখোলা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। আর অভিযুক্ত র‍্যাব সদস্য র‍্যাব লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের গাড়িচালক।

ওই ছাত্রী জানায়, গত শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে র‌্যাব ক্যাম্প সংলগ্ন জেলা স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে শ্লীলতাহনির শিকার হয় সে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন উপজেলার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুর রহমান রবিন ও রমজান নামে দুই বন্ধুর সঙ্গে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী জেলা স্টেডিয়াম ঘুরতে যায়। কিছুক্ষণ পরে একজন লোক এসে তাদের পরিচয় জানতে চান এবং রমজান ও রবিনকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে বের করে দিয়ে ওই ছাত্রীকে আটকে রাখেন তিনি। 

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, প্রায় আধঘণ্টা তাকে আটকে রেখে ধর্ষণের চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। বিষয়টি জানাজানি হলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তার পরিবারকে বলে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। 

পরে অভিযুক্ত র‌্যাব ১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের সদস্য (চালক) বলে তার পরিচয় জানতে পারেন তারা।

এদিকে, ওইদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বান্ধবীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনার বিচার দাবি করেন তার বন্ধু রবিন ও রমজান। বিচার দাবিতে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেছেন তারা।

তবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে র‌্যাব সদস্য মো. সুমন বলেন, সেদিন যৌন র্নিযাতনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তারা তিন জন স্টেডিয়ামে ঘুরতে এসেছিল। তাদের মধ্যে দু'জন ভিআইপি গ্যালারিতে অন্তরঙ্গভাবে বসেছিল। আমি বিষয়টি দেখে তাদেরকে সেখান থেকে চলে যেতে বলি। তারা পর্যায়ক্রমে একজন একজন করে চলে যায়।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এসপি নরেশ চাকমা সাংবাদিকদের সামনে কিছু বলতে রাজি হননি। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।