• বুধবার, জুলাই ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৪ রাত

পদ্মাসেতুর নতুন স্প্যান বসানোর সময় পেছালো

  • প্রকাশিত ১০:৪০ সকাল মে ২০, ২০১৯
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু
পদ্মা নদীতে নাব্যতা সংকট এবং ১৪ নম্বর পিলারে লিফটিং হ্যাঙ্গার না বসাতে পারার কারনে একাদশ স্প্যান ৩-বি পিলারের ওপর বসানোর সময় পিছিয়েছে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

এ স্প্যানটি বসানো হলে সেতুর মোট ১৯৫০ মিটার দৃশ্যমান হবে

পদ্মা নদীতে নাব্যতা সংকট এবং ১৪ নম্বর পিলারে লিফটিং হ্যাঙ্গার না বসাতে পারার কারনে একাদশ স্প্যান ৩-বি পিলারের ওপর বসানোর সময় পিছিয়েছে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ।

এই স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তের সেতুর ১৪ ও ১৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানোর কথা ছিল। এর আগেও কয়েক দফায় এই স্প্যানটি বাসানোর তারিখ পরিবর্তন করা হয়।

রবিবার সন্ধ্যায় পদ্মা সেতুর সহকারি প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির ঢাকা ট্রিবিউনকে এ খবর নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, "মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার "তিয়ান ই" একটি ভাসমান ক্রেন ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রতিটি স্প্যান বহন করে। এরপর সেটি বসানো হয় পিলারের ওপর। তবে ভাসমান ক্রেনে স্প্যান নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় লিফটিং হ্যাঙ্গারটি আপাতত এখানে নেই। সেটি এখন ২৬ নম্বর পিলার এলাকায় পাইলিং এর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে"।

"এছাড়া স্প্যানবহনকারী ক্রেনের রুটে নদীতে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে ফলে চাইলেও ক্রেনটি এখানে আনা সম্ভব হচ্ছেনা। পাইলিং কাজ শেষে স্প্যান বসানোর একটি তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আনুমানিকভাবে ২৫-২৭ মে'র মধ্যে স্প্যান বসানো হতে পারে", যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এ স্প্যানটি বসানো হলে সেতুর মোট ১৯৫০ মিটার দৃশ্যমান হবে। জাজিরাপ্রান্তে সেতুর ১৩৫০ মিটার ও মাওয়া প্রান্তের একটি স্থায়ী ও একটি অস্থায়ী স্প্যান মিলে মোট ৩০০ মিটার এবং সেতুর মাঝ বরাবর ৫-এফ স্প্যানটি অস্থায়ীভাবে বসানো শেষ হওয়ায় সেতুর মোট ১৮০০ মিটার আগেই দৃশ্যমান আছে। তবে, স্প্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডিউলে বসানোর কারনে দৃশ্যমান অংশগুলো এক সারিতে না হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে দৃশ্যমান হবে।