• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২৫ বিকেল

দরিদ্র পরিবারের চারজনই জটিল রোগে আক্রান্ত

  • প্রকাশিত ০৩:২০ বিকেল মে ২৩, ২০১৯
কুমিল্লা
বিরল রোগে আক্রান্ত এই পরিবারের সব সদস্য। ছবি: ইউএনবি

আমিই পরিবারের মধ্যে একমাত্র উপার্জনকারী। নিজে জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এখন আর উপার্জন করতে পারি না। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। আমার ভাই প্রতিবন্ধী হলেও জোটেনি প্রতিবন্ধী কার্ড।

কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের আলালেরকান্দি গ্রামের হতদরিদ্র দিনমজুর দুলাল মিয়ার পরিবারের চারজনই জটিল রোগে আক্রান্ত। টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না তারা।     

২০১৩ সালে দুলাল মিয়া (৪৭) নিজে প্রথমে পাকস্থলীতে পাথরে আক্রান্ত হয়। পরে একে একে গলায় থাইরক্স, মেরুদন্ডের হাড়ঁ ক্ষয় ও এক হাত প্যারালাইসেসে আক্রান্ত হয়, যে কোনো সময় লিভার ক্যান্সারেও আক্রান্ত হতে পারেন। এদিকে তার স্ত্রী মলেকা বেগম (৩৮)  তিন বছরে তিনবার ব্রেইন স্ট্রোক করেছেন। ভাই সোহেল রানা (৩৮) প্রতিবন্ধী। ২০১৫ সাল থেকে ছেলে শান্ত (১৫) গলার চোয়ালে টিউমারে আক্রান্ত।

দুলাল মিয়ার মা মকবুরের নেছা গত ১৫ দিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যান।

রিকশা চালিয়ে সংসার ও পরিবারের সকল সদস্যদের চিকিৎসা চালাতেন দুলাল মিয়া। চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে একমাত্র সম্পদ বাড়িটি বিক্রি করে বর্তমানে অন্যের বাড়িতে বসবাস করছেন।

দুলাল মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমিই পরিবারের মধ্যে একমাত্র উপার্জনকারী। নিজে জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় এখন আর উপার্জন করতে পারি না। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। আমার ভাই প্রতিবন্ধী হলেও জোটেনি প্রতিবন্ধী কার্ড।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান মনের একজন মানুষ। তিনি মুক্তা মনিকে যে ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন তার জন্যও আমি কৃতজ্ঞ। তিনি তার পরিবারের সদস্যদের বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের সকল আপামর হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।  

সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা দুলাল মিয়া, সঞ্চয়ী হিসাব নং ০১০০০৮৫১২৪৯৪৮, জনতা ব্যাংক লি:, রামচন্দ্রপুর শাখা, মুরাদনগর, কুমিল্লা। প্রয়োজনে যোগাযোগ : ০১৭৩৫৪১১০০১ ও ০১৮৬৯৬৮১২৮৯।