• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

সাংবাদিক ফাগুনের মৃত্যু নিয়ে ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য

  • প্রকাশিত ০৫:২৮ সন্ধ্যা মে ২৪, ২০১৯
ফাগুন
সাংবাদিক ফাগুন ফেসবুক

এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি ফাগুনের মানিব্যাগ এবং ব্যবহৃত মুঠোফোন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রিয় ডটকমের সহ-সম্পাদক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ক্রমেই ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য। এই হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান ও জড়িতদের ধরতে চেষ্টা করছে রেল পুলিশ। 

গত মঙ্গলবার (২১ মে) রাজধানী থেকে আন্তঃনগর যমুনা ট্রেনে জামালপুর হয়ে শেরপুরের বাড়িতে ফেরার পথে ময়মনসিংহে আসার পর পরিবারের সঙ্গে ফাগুনের মুঠোফোনের সংযোগ হয়ে যায় এবং এরপর থেকেই তিনি নিঁখোজ হন।

বুধবার জামালপুর রেল পুলিশ জামালপুরের নান্দনা এবং নরুন্দি স্টেশনের মাঝামাঝি মধ্যপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ ওইদিনই তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ময়নাতদন্তে ফাগুনের মাথায় আঘাত এবং গলায় শ্বাসরোধ করে হত্যার চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে খুঁজে পাওয়া যায়নি ফাগুনের মানিব্যাগ এবং ব্যবহৃত মুঠোফোন।

ধারণা করা হচ্ছে, মানিব্যগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর তাকে হত্যা করে ট্রেন থেকে ফেলে দিয়েছে খুনীরা।

ফাগুনের বাবা এনটিভির শেরপুর প্রতিনিধি কাকন রেজার দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ফাগুন যেহেতু সাংবাদিকতা করতো তাই তার শত্রু থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয় বলে মনে করেন তিনি। 

তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধ এবং মাথায় আঘাত করে হত্যার কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই হত্যাকারীরা ফাগুনকে হত্যা করে ট্রেন থেকে ফেলে রেখে গেছে এটা নিশ্চিত।

এ বিষয়ে জামালপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন ফাগুনের বাবা সাংবাদিক কাকন রেজা।

জামালপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তাপস চন্দ্র পন্ডিত ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, ফাগুনের মৃত্যু নিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া পুলিশ কিছু বলতে পারছে না। তাই পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে পুলিশ মামলা নেবে। 

 ‘এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জোর তদন্ত চলছে। অচিরেই আসল ঘটনা উদঘাটিত হবে,’ যোগ করেন ওসি।