• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৪ রাত

এনএসআইয়ে চাকরির লোভ, টাকা নিয়ে প্রতারক ধরা

  • প্রকাশিত ১১:০২ সকাল মে ২৬, ২০১৯
প্রতারণা
প্রতারণার অভিযোগে র‌্যাবের হাতে আটক মো. গোলবার। ছবি: সংগৃহীত

এনএসআইতে ফিল্ড এজেন্ট নিয়োগের কথা বলে চাকরি করতে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে সে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছেন। সে মহাপরিচালকের (ডিজি) স্বাক্ষর জাল করে এনএসআই-এর নম্বরসহ ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানায় ডাকযোগে নিয়োগপত্র পাঠাতেন

গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)। 

২৪ মে, শুক্রবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁও দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার এম ব্লকের ১০ নম্বর রোডের ১৯ নম্বর বাসার সপ্তম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে এনএসআইয়ের নিয়োগপত্র ১০টি, এনএসআই, এমইএস, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা নামের তিনটি সিল, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের জমা বহি (৮ পাতা), বাদীর হিসাব নম্বরে পাঠানো ১৪ হাজার টাকা জমা রশিদ, নোট বুক, ল্যাপটপ, মোবাইল ও একটি নকল আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়। খবর বাংলা ট্রিবিউনের। 

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. গোলবার হোসেন ওরফে শ্রাবণ (২৮)। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার মানিকের চর গ্রামে তার বাড়ি।

র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া শাখা) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ বি এম ফাইজুল ইসলাম শনিবার (২৫ মে) বলেন, “একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা প্রতারক চক্রের সদস্য গোলবার হোসেনকে আটক করি। সে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইতে ফিল্ড এজেন্ট নিয়োগের কথা বলে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। ওই ভুক্তভোগী র‌্যাব ক্যাম্পে এসে অভিযোগ করলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারককে আটক করা হয়।”

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোলবার জানিয়েছেন, এনএসআইতে ফিল্ড এজেন্ট নিয়োগের কথা বলে চাকরি করতে আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে সে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আত্মসাৎ করেছেন। সে মহাপরিচালকের (ডিজি) স্বাক্ষর জাল করে এনএসআই-এর নম্বরসহ ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানায় ডাকযোগে নিয়োগপত্র পাঠাতেন। টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে সে চাকরিপ্রাপ্তদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বেতন এবং বাড়িতে লোক মারফত রেশন পাঠানোর কাজও করতেন। একপর্যায়ে চাকরি স্থায়ী করার কথা বলে ভুক্তভোগীদের কাছে আরও টাকা চাইতেন। বেশ কিছুদিন পার হলে টাকা আত্মসাৎ এবং অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ তুলে চাকরিপ্রাপ্তদের বরখাস্তপত্র পাঠাতেন।