• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৬ রাত

সাংবাদিক ফাগুন হত্যার ঘটনায় মামলা

  • প্রকাশিত ১০:৪১ সকাল মে ২৭, ২০১৯
ফাগুন
সাংবাদিক ফাগুন ফেসবুক

সাংবাদিকতা অথবা অজ্ঞাত শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা সেদিন রাত সাড়ে ৭টার পর থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে যে কোনো সময় ফাগুনের মাথার পিছনে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার পিতা প্রবীণ সাংবাদিক কাকন রেজা বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

২৫ মে, শনিবার রাতে জামালপুর রেলওয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।  

জামালপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাপস চন্দ্র পন্ডিত মামলার এজাহারটি গ্রহণ করেছেন।

সাংবাদিক ফাগুন গত ২১ মে, মঙ্গলবার   জামালপুর হয়ে শেরপুরে তার নিজ বাড়ি ফেরার জন্য বিকাল ৪টায় তেজগাঁও রেল স্টেশন থেকে কমিউটার ট্রেনে ওঠেন। ময়মনসিংহ যাওয়া পর্যন্ত ফাগুনের সাথে তার পিতা কাকন রেজার মোবাইলে যোগাযোগ ছিল। এর পরেই আকস্মিকভাবে ফাগুনের সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

ঘটনার দিন রাতে জামালপুর রেলপুলিশ জামালপুরের নান্দিনা রেলস্টেশনের কাছে মধ্যপাড়া এলাকায় রেল লাইনের পাশ থেকে ফাগুনের লাশ উদ্ধার করে ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বিবিএ প্রফেসনাল দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সাব এডিটর হিসাবে সংবাদ মাধ্যম প্রিয়.কমে এ কর্মরত ছিলেন। ঐদিন বিকাল চারটায় ফাগুন নিজ বাড়ি শেরপুর যাওয়ার জন্য তেজগাঁও রেল স্টেশন থেকে জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ওঠেন। সন্ধ্যা সারে ৭টায় ফাগুন তার বাবা কাকন রেজাকে জানান,  সে ময়মনসিংহের কাছে চলে এসেছে। 

এরপর থেকেই ফাগুনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে মধ্যেপাড়া হটু মিয়ার বাড়ির পাশে রেল লাইনের উত্তর পাশ থেকে ফাগুনের লাশ উদ্ধার হয়। 

ফাগুনের পিতা কাকন রেজার ধারণা যে, তার ছেলে ফাগুন সাংবাদিকতা পেশায় নিয়েজিত থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হুমকির সম্মুখীন হয়। সাংবাদিকতা অথবা অজ্ঞাত শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা সেদিন রাত সাড়ে ৭টার পর থেকে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে যে কোনো সময় ফাগুনের মাথার পিছনে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। 

এ সময় দুর্বৃত্তরা ফাগুনের সঙ্গে থাকা একটি ওয়ালটন মোবাইল ও একটি ডেল লেটিচিউড ল্যাপটপ যার মূল্য ৮০ হাজার টাকা ইত্যাদি মালামাল নিয়ে তার লাশ মধ্যপাড়া এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।