• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

যাত্রীবাহী লঞ্চে ছিনতাই, আটক ৪

  • প্রকাশিত ০৮:৩১ রাত জুন ১, ২০১৯
আটক ছিনতাইকারী
শনিবার যাত্রীবাহী একটি লঞ্চে ছিনতাইকালে ৪ জনকে এবং লঞ্চঘাট থেকে আরও ২ ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

এছাড়াও লঞ্চঘাট থেকে আরও ২ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। এ কারণে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে এখন যাত্রীদের ভীড় বেড়েছে। আর এ সুযোগে তৎপর হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারীরাও।

শনিবার যাত্রীবাহী একটি লঞ্চে ছিনতাইকালে ৪ জনকে এবং লঞ্চঘাট থেকে আরও ২ ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনুর রশীদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন, শরিয়তপুর জেলার মোল্লা কান্দি গ্রামের রফিক মোল্লার পুত্র কাউছার (২০), সিরাজুল খালাসির পুত্র সোহেল (১৯), সৈক্ষা গ্রামের হানিফ সর্দারের পুত্র আব্দুল কুদ্দুস (২৩), গরিবের চর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র মো. নোমান (১৮), চাঁদপুর শহরের যমুনা রোড় এলাকার ফারুক হোসেন ও মোস্তফা হাওলাদার।

এ প্রসঙ্গে ওসি মো. হারুনুর রশীদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "পবিত্র ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোতে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফেরা মানুষদের প্রচন্ড ভিড় হচ্ছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ছিনতাইকারিরা লঞ্চ এবং ঘাটে তৎপর রয়েছে"।

"শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এমবি সোনার তরী-৭ লঞ্চে আটকৃত ৪ ছিনতাইকারী হৃদয় নামের এক যুবককে ছাদে নিয়ে হাত পা বেঁধে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে অন্যান্য যাত্রীরা পুলিশকে খবর দেয়। পরে থানা উপপরিদর্শক রেজাউল করিম তাদের আটক করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভৌগী হৃদয় বাদী হলে মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন"।

ওসি হারুনুর রশিদ আরও জানান, একই দিনে লঞ্চঘাট থেকে অপর ২ ছিনতাইকারিকে আটক করে মডেল থানার পুলিশ। 

উল্লেখ্য, আসন্ন পবিত্র ঈদুল উপলক্ষে নৌপথে লঞ্চযাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করণে এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যপক পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন। লঞ্চযাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত ও নিরাপত্তা প্রদানে ঘাটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনামহ মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হয়েছে।