• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫৪ সন্ধ্যা

পরোক্ষ ধূমপান: রাজধানীর প্রাথমিক স্কুলের ৯৫ শতাংশ শিশুর দেহে নিকোটিন

  • প্রকাশিত ০৮:৩৮ রাত জুন ১, ২০১৯
ধূমপান
প্রতীকী ছবি। বিগস্টক

এমনকি বাড়িতেই পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এবং এক্ষেত্রে নারীরা আক্রান্ত হচ্ছে অনেক বেশি।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় রাজধানী ঢাকার প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়া ৯৫ শতাংশ শিশুর দেহে উচ্চমাত্রার নিকোটিন পাওয়া গেছে, যার মূল কারণ পরোক্ষ ধূমপান। 

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে শনিবার (১ জুন) তামারবিরোধী সংগঠন ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান'র এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবছর ৩১ মে দেশব্যাপী এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ২০১৭ এর বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে এখনও ৩ কোটি ৭৮ লাখ (৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ) প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় ৮১ লাখ মানুষ। এমনকি বাড়িতেই পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এবং এক্ষেত্রে নারীরা আক্রান্ত হচ্ছে অনেক বেশি।

প্রজ্ঞা আরও বলছে, পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের প্রকোপ কমানো না গেলে ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত জটিলতা এবং মৃত্যু হ্রাস করা সম্ভব হবে না। এক্ষেত্রে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ বিলুপ্তকরণসহ বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

একইসঙ্গে এফসিটিসি আর্টিক্যাল ৫.৩ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামাক কোম্পানির আগ্রাসন বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন বাজেটে কার্যকর করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম জনগণ, বিশেষ করে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেতে হবে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ, যা একইসঙ্গে তামাক ব্যবহারজনিত মোট মৃত্যুর ২৮ শতাংশের জন্য দায়ী। বাংলাদেশে শিশু যক্ষ্মা রোগীর হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৭ সালে এই হার বেড়ে ৪ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১৩ সালে ছিল ২ দশমিক ৮ শতাংশ।