• রবিবার, জুন ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:২৬ রাত

চলন্ত বাসে নার্সকে ধর্ষণ: রং লাগিয়ে নতুন নামে নিষিদ্ধ স্বর্ণলতা পরিবহনের বাস

  • প্রকাশিত ০২:০৪ দুপুর জুন ১০, ২০১৯
স্বর্ণলতা পরিবহন
কবীরের গ্যারেজে নিষিদ্ধ স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসে রং লাগানোর কাজ চলছে। ইনসেটে খুলে ফেলা স্বর্ণলতা পরিবহনের স্টিকার। ঢাকা ট্রিবিউন

নতুন স্টিকার লাগিয়ে 'কটিয়াদী এক্সপ্রেস' নামে নিষিদ্ধ স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলো পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে

বহুল আলোচিত চলন্ত বাসে নার্সকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পরিবহন কোম্পানি স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলো ভিন্ন নামে সড়কে নামানোর প্রক্রিয়া করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

'কটিয়াদী এক্সপ্রেস' নামে স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলো পুনরায় চালু করার জন্য নতুন করে রং করে স্টিকার লাগানো হচ্ছে। গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বানার নদীর তীরবর্তী তরগাঁও এলাকায় কবীরেরর গ্যারেজে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এই কাজ চলছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

কাপাসিয়ার স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ১০/১২ দিন যাবত স্বর্ণলতা পরিবহনের বাসগুলোর রং পাল্টানো হচ্ছে কবীরের গ্যারেজে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাসের রং পরিবর্তন করে কটিয়াদী এক্সপ্রেস নাম সম্বলিত স্টিকার লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে।  

এ নিয়ে জানতে চাইলে ওই গ্যারেজের মালিক আব্দুল কাউয়ুম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "আনুমানিক ১০ দিন আগে স্বর্ণলতা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. পাভেল আমাকে গাড়ীর রং ও নামযুক্ত স্টীকার লাগানোর কাজ দেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বর্ণলতা পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ পাভেল। তিনি বলেন, "কিশোরগঞ্জের ভৈরব সড়কে স্বর্ণলতা পরিবহন নামে আমাদের মোট ২০টি বাস রয়েছে। তবে, সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে সেগুলো আপাতত বন্ধ রয়েছে"। 

প্রসঙ্গতঃ গত ৬ মে রাত ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব সড়কে স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি বাসে একজন নার্সকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর থেকে স্বর্ণলতা পরিবহনের গাড়ী চলাচলে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এ ঘটনায় স্বর্ণলতা বাসের চালক কাপাসিয়ার নুরুজ্জামান (৩৯) ও হেলপার লালন মিয়াকে (৩৩) পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।